ভারতের আসাম রাজ্যে গোমাংসের গুজবকে কেন্দ্র করে সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের ওপর বর্বরোচিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। রাজ্যের কোকরাঝাড় জেলায় পুলিশের উপস্থিতিতেই একদল হিন্দুত্ববাদী জনতা মুসলিমদের ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। বর্তমানে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
ভারতের আসামের কোকরাঝাড় জেলায় সাম্প্রদায়িক উসকানি ও গুজবের জেরে সংখ্যালঘু মুসলিম পরিবারগুলো ভয়াবহ সহিংসতার শিকার হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জেলার সালাকাটি পুলিশ ফাঁড়ির আওতাধীন ৩ নম্বর নয়াসারা গ্রামে এক হিন্দু পরিবারের উঠানে ‘সন্দেহজনক’ মাংস পাওয়া গেছে—এমন খবর ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজনার সূত্রপাত হয়। স্থানীয়দের দাবি, পরিকল্পিতভাবে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাধানোর উদ্দেশ্যে কেউ এই মাংস ফেলে রেখেছিল।
প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ অনুযায়ী, গুজব ছড়িয়ে পড়ার মুহূর্তের মধ্যেই একদল উম্মত্ত জনতা লাঠিসোটা ও পাথর নিয়ে সংগঠিত হয়। তারা এলাকার সংখ্যালঘু মুসলিমদের লক্ষ্য করে হামলা চালায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, পুলিশের উপস্থিতিতেই হামলাকারীরা একের পর এক ঘরবাড়িতে পাথর নিক্ষেপ করছে এবং আসবাবপত্র চুরমার করছে। প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো তীব্র ক্ষোভ ও আতঙ্ক প্রকাশ করেছে।
পুলিশ এই সহিংসতার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ৩ জন নারীসহ মোট ৭ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে। বিতর্কিত মাংসের উৎস নিশ্চিত করতে ফরেনসিক পরীক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, পার্শ্ববর্তী কোনো বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে এই মাংস আসতে পারে অথবা এটি সম্পূর্ণ পরিকল্পিত উসকানি হতে পারে।
বর্তমানে এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে নিরাপত্তা জোরদার করা হলেও মুসলিম পরিবারের সদস্যরা জানমালের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। মানবাধিকার কর্মীরা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
বিষয় : ভারত

শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ মার্চ ২০২৬
ভারতের আসাম রাজ্যে গোমাংসের গুজবকে কেন্দ্র করে সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের ওপর বর্বরোচিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। রাজ্যের কোকরাঝাড় জেলায় পুলিশের উপস্থিতিতেই একদল হিন্দুত্ববাদী জনতা মুসলিমদের ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। বর্তমানে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
ভারতের আসামের কোকরাঝাড় জেলায় সাম্প্রদায়িক উসকানি ও গুজবের জেরে সংখ্যালঘু মুসলিম পরিবারগুলো ভয়াবহ সহিংসতার শিকার হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জেলার সালাকাটি পুলিশ ফাঁড়ির আওতাধীন ৩ নম্বর নয়াসারা গ্রামে এক হিন্দু পরিবারের উঠানে ‘সন্দেহজনক’ মাংস পাওয়া গেছে—এমন খবর ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজনার সূত্রপাত হয়। স্থানীয়দের দাবি, পরিকল্পিতভাবে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাধানোর উদ্দেশ্যে কেউ এই মাংস ফেলে রেখেছিল।
প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ অনুযায়ী, গুজব ছড়িয়ে পড়ার মুহূর্তের মধ্যেই একদল উম্মত্ত জনতা লাঠিসোটা ও পাথর নিয়ে সংগঠিত হয়। তারা এলাকার সংখ্যালঘু মুসলিমদের লক্ষ্য করে হামলা চালায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, পুলিশের উপস্থিতিতেই হামলাকারীরা একের পর এক ঘরবাড়িতে পাথর নিক্ষেপ করছে এবং আসবাবপত্র চুরমার করছে। প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো তীব্র ক্ষোভ ও আতঙ্ক প্রকাশ করেছে।
পুলিশ এই সহিংসতার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ৩ জন নারীসহ মোট ৭ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে। বিতর্কিত মাংসের উৎস নিশ্চিত করতে ফরেনসিক পরীক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, পার্শ্ববর্তী কোনো বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে এই মাংস আসতে পারে অথবা এটি সম্পূর্ণ পরিকল্পিত উসকানি হতে পারে।
বর্তমানে এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে নিরাপত্তা জোরদার করা হলেও মুসলিম পরিবারের সদস্যরা জানমালের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। মানবাধিকার কর্মীরা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন