রোববার, ৩১ মে ২০২৬
রোববার, ৩১ মে ২০২৬
কওমী টাইমস

স্কুলে যাওয়ার পথে নিখোঁজ হওয়া শিশুর মরদেহ বাড়ি থেকে ২০০ মিটার দূরে উদ্ধার; পুলিশের প্রাথমিক ধারণায় ধর্ষণ-হত্যা, কড়া শাস্তির দাবি হুররিয়াত নেতার

ঈদুল আজহার আগে কাশ্মীরে ১২ বছরের শিশুকে ‘ধর্ষণ ও হত্যা’



ঈদুল আজহার আগে কাশ্মীরে ১২ বছরের শিশুকে ‘ধর্ষণ ও হত্যা’

পবিত্র ঈদুল আজহার মাত্র কয়েক দিন আগে এক নির্মম ট্র্যাজেডিতে স্তব্ধ হয়ে পড়েছে পুরো কাশ্মীর উপত্যকা। ভারত-নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীরের বুদগাম জেলায় নিখোঁজ হওয়ার পরদিন এক ১২ বছরের নাবালিকা মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে একে 'ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ড' হিসেবে উল্লেখ করেছে পুলিশ। এই জঘন্য অপরাধের খবর ছড়িয়ে পড়তেই কাশ্মীরজুড়ে তীব্র ক্ষোভ, উদ্বেগ এবং গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

পবিত্র হজ ও ঈদুল আজহার আনন্দময় উৎসবের আবহ যখন পুরো কাশ্মীরে বিরাজ করছিল, ঠিক তখনই বুদগাম জেলার গালওয়ানপোরা (Galwanpora) এলাকায় এক নাবালিকাকে নির্মমভাবে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা পুরো উপত্যকাকে কাঁপিয়ে দিয়েছে। এই নৃশংস অপরাধ কাশ্মীরি সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে তীব্র আবেগীয় বিস্ফোরণ এবং ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। যে সমাজে সাধারণত নারী ও শিশুদের সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেওয়া হয় এবং এই ধরনের অপরাধ বিরল, সেখানে এই ঘটনা নতুন করে জননিরাপত্তা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন খাড়া করেছে।

নিখোঁজ ও মরদেহ উদ্ধার

কাশ্মীর মিডিয়া সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা যায়, শনিবার (২৩ মে) সন্ধ্যা থেকে ওই নাবালিকা মেয়েটি নিখোঁজ ছিল। জানা গেছে, সে স্কুল থেকে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিলেও আর বাড়ি ফেরেনি। পরিবার ও স্থানীয়রা খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পায়নি। অবশেষে রবিবার (২৪ মে) সকালে তার বাড়ি থেকে মাত্র ২০০ মিটার দূরে নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।

বুদগামের সিনিয়র সুপারিন্টেনডেন্ট অব পুলিশ (SSP) হরি প্রসাদ কে. জানান, প্রাথমিক আলামত ও তদন্তে এটি স্পষ্টতই একটি ধর্ষণ এবং হত্যাকাণ্ডের মামলা বলে মনে হচ্ছে। মরদেহ উদ্ধারের পর পুরো এলাকায় শোকের মাতম শুরু হয় এবং সাধারণ মানুষ স্তম্ভিত হয়ে পড়েন।

উৎসবের আনন্দ মাটি, ক্ষোভে ফুঁসছে সমাজ

এই ট্র্যাজেডিটি এমন এক সময়ে ঘটল যখন কাশ্মীরের বাজারগুলো ঈদের কেনাকাটায় জমজমাট ছিল এবং শিশুরা নতুন পোশাক ও মিষ্টি কিনতে ব্যস্ত ছিল। কিন্তু এই রোমহর্ষক খবর আসার পর ঘরবাড়ি, হাটবাজার থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম—সবখানেই এই অপরাধের আলোচনা প্রধান হয়ে ওঠে। বহু পরিবার আক্ষেপ করে বলেছেন, এই ঘটনা ঈদের সমস্ত আনন্দকে বিষাদে পরিণত করেছে।

শ্রীনগরের সোলিনা এলাকার বাসিন্দা মুহাম্মদ সেলিম অশ্রুসজল চোখে বলেন, "আমার নিজের মেয়ের জন্য ঈদের পোশাক কেনার সময় এই খবরটি শুনে আমি কেঁদে ফেলেছি। একজন অভিভাবক হিসেবে আমি এখন এখানে আমার নিজের সন্তানসহ সব শিশুর নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত।"

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও নেটিজেনরা তীব্র ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন। এম সাফি ভাট নামের একজন ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেছেন, "কাশ্মীর এখন নেকড়েদের উপত্যকায় পরিণত হয়েছে। আমাদের কন্যারা অমূল্য, আমরা অপরাধীদের মৃত্যুদণ্ড চাই।" মাইক্রোব্লগিং সাইট এক্সে (টুইটার) সালমা হুসেন নামে এক ব্যবহারকারী ক্ষোভ প্রকাশ করে লেখেন, "আমাদের কি বাইরে যাওয়া বন্ধ করে দেওয়া উচিত? আমাদের মেয়েদের বাইরে বের হওয়া কি বন্ধ করব? কাশ্মীরে নারী ও শিশুদের জীবন ও সম্মানের কোনো নিরাপত্তা নেই। রাস্তাগুলো অপরাধীদের আখড়া হয়ে উঠছে।" শ্রীনগরের আরেক নারী এক্সে লেখেন, "আজ পুরো সমাজ ক্ষতবিক্ষত। যে শিশুটির ঈদের নামাজের প্রস্তুতি নেওয়ার কথা ছিল, আজ তার জন্য শোক পালন করা হচ্ছে।"

অল পার্টিজ হুরিয়ত কনফারেন্সের (APHC) সিনিয়র নেতা মীরওয়াইজ উমর ফারুক এই ঘটনাকে অত্যন্ত হৃদয়বিদারক ও উদ্বেগজনক আখ্যা দিয়ে এক্সে (X) লিখেছেন, "এই ঘটনা অত্যন্ত বেদনাদায়ক এবং এটি প্রতিটি মানুষের বিবেককে নাড়িয়ে দিয়েছে। আমাদের সন্তানরা এখন স্কুলে যাওয়ার পথেও নিরাপদ বোধ করছে না।" মীরওয়াইজ এই ঘটনার একটি সম্পূর্ণ ও স্বচ্ছ তদন্ত দাবি করেছেন এবং এই জঘন্য অপরাধের জন্য দায়ীদের আইনের সর্বোচ্চ ধারায় কঠোরতম শাস্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান অপরাধ

এই হত্যাকাণ্ড কাশ্মীরে নারী ও নাবালিকাদের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া ধারাবাহিক অপরাধের উদ্বেগজনক চিত্রকে আবারও সামনে এনেছে। সেখানে গার্হস্থ্য হিংসা, উত্যক্তকরণ, নিখোঁজ হওয়া এবং খুনের ঘটনা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। সম্প্রতি বুদগামেই এক নাবালিকা মেয়েকে অপহরণের চেষ্টাকালে বাধা দেওয়ায় এক নারীকে হত্যার ঘটনা ঘটেছিল, যা ব্যাপক উদ্বেগের সৃষ্টি করেছিল। শ্রীনগরের বাসিন্দা খালিদ আহমেদ শেখ বলেন, "মানুষ কেবল রাগান্বিতই নয়, তারা ভীষণ আতঙ্কিত। এই ধরনের অপরাধ সমাজে ভয়কে আরও গভীর করে এবং নারী ও শিশুদের সুরক্ষায় আদৌ কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে বাধ্য করে।"

শ্রীলগরের লাল চকের এক ব্যবসায়ী জানান, বাজারে বেচাকেনা চললেও মানুষের মনে কোনো আনন্দ নেই। যখন একটি শিশু এভাবে প্রাণ হারায়, তখন প্রতিটি ঘরেই শোকের আগুন জ্বলে।

ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরো (NCRB) এবং স্থানীয় পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২০ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে কাশ্মীরে নারীদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, পকসো (POCCO) মামলা, শ্লীলতাহানির মতো অপরাধের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালে ৩,৪০৫টি, ২০২১ সালে ৩,৯৩৭টি, ২০২২ সালে ৩,৭১৬টি এবং ২০২৪ সালে ৩,৩৬৬টি নারীদের বিরুদ্ধে অপরাধের মামলা নথিভুক্ত হয়েছে। শুধুমাত্র ২০২৪ সালেই জম্মু ও কাশ্মীরে ৩০৮টি পকসো (নাবালিকা সুরক্ষা আইন) মামলা রেকর্ড করা হয়েছে।

বিষয় : ভারত জম্মু কাশ্মীর

আপনার মতামত লিখুন

কওমী টাইমস

রোববার, ৩১ মে ২০২৬


ঈদুল আজহার আগে কাশ্মীরে ১২ বছরের শিশুকে ‘ধর্ষণ ও হত্যা’

প্রকাশের তারিখ : ৩১ মে ২০২৬

featured Image

পবিত্র ঈদুল আজহার মাত্র কয়েক দিন আগে এক নির্মম ট্র্যাজেডিতে স্তব্ধ হয়ে পড়েছে পুরো কাশ্মীর উপত্যকা। ভারত-নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীরের বুদগাম জেলায় নিখোঁজ হওয়ার পরদিন এক ১২ বছরের নাবালিকা মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে একে 'ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ড' হিসেবে উল্লেখ করেছে পুলিশ। এই জঘন্য অপরাধের খবর ছড়িয়ে পড়তেই কাশ্মীরজুড়ে তীব্র ক্ষোভ, উদ্বেগ এবং গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

পবিত্র হজ ও ঈদুল আজহার আনন্দময় উৎসবের আবহ যখন পুরো কাশ্মীরে বিরাজ করছিল, ঠিক তখনই বুদগাম জেলার গালওয়ানপোরা (Galwanpora) এলাকায় এক নাবালিকাকে নির্মমভাবে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা পুরো উপত্যকাকে কাঁপিয়ে দিয়েছে। এই নৃশংস অপরাধ কাশ্মীরি সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে তীব্র আবেগীয় বিস্ফোরণ এবং ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। যে সমাজে সাধারণত নারী ও শিশুদের সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেওয়া হয় এবং এই ধরনের অপরাধ বিরল, সেখানে এই ঘটনা নতুন করে জননিরাপত্তা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন খাড়া করেছে।

নিখোঁজ ও মরদেহ উদ্ধার

কাশ্মীর মিডিয়া সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা যায়, শনিবার (২৩ মে) সন্ধ্যা থেকে ওই নাবালিকা মেয়েটি নিখোঁজ ছিল। জানা গেছে, সে স্কুল থেকে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিলেও আর বাড়ি ফেরেনি। পরিবার ও স্থানীয়রা খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পায়নি। অবশেষে রবিবার (২৪ মে) সকালে তার বাড়ি থেকে মাত্র ২০০ মিটার দূরে নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।

বুদগামের সিনিয়র সুপারিন্টেনডেন্ট অব পুলিশ (SSP) হরি প্রসাদ কে. জানান, প্রাথমিক আলামত ও তদন্তে এটি স্পষ্টতই একটি ধর্ষণ এবং হত্যাকাণ্ডের মামলা বলে মনে হচ্ছে। মরদেহ উদ্ধারের পর পুরো এলাকায় শোকের মাতম শুরু হয় এবং সাধারণ মানুষ স্তম্ভিত হয়ে পড়েন।

উৎসবের আনন্দ মাটি, ক্ষোভে ফুঁসছে সমাজ

এই ট্র্যাজেডিটি এমন এক সময়ে ঘটল যখন কাশ্মীরের বাজারগুলো ঈদের কেনাকাটায় জমজমাট ছিল এবং শিশুরা নতুন পোশাক ও মিষ্টি কিনতে ব্যস্ত ছিল। কিন্তু এই রোমহর্ষক খবর আসার পর ঘরবাড়ি, হাটবাজার থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম—সবখানেই এই অপরাধের আলোচনা প্রধান হয়ে ওঠে। বহু পরিবার আক্ষেপ করে বলেছেন, এই ঘটনা ঈদের সমস্ত আনন্দকে বিষাদে পরিণত করেছে।

শ্রীনগরের সোলিনা এলাকার বাসিন্দা মুহাম্মদ সেলিম অশ্রুসজল চোখে বলেন, "আমার নিজের মেয়ের জন্য ঈদের পোশাক কেনার সময় এই খবরটি শুনে আমি কেঁদে ফেলেছি। একজন অভিভাবক হিসেবে আমি এখন এখানে আমার নিজের সন্তানসহ সব শিশুর নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত।"

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও নেটিজেনরা তীব্র ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন। এম সাফি ভাট নামের একজন ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেছেন, "কাশ্মীর এখন নেকড়েদের উপত্যকায় পরিণত হয়েছে। আমাদের কন্যারা অমূল্য, আমরা অপরাধীদের মৃত্যুদণ্ড চাই।" মাইক্রোব্লগিং সাইট এক্সে (টুইটার) সালমা হুসেন নামে এক ব্যবহারকারী ক্ষোভ প্রকাশ করে লেখেন, "আমাদের কি বাইরে যাওয়া বন্ধ করে দেওয়া উচিত? আমাদের মেয়েদের বাইরে বের হওয়া কি বন্ধ করব? কাশ্মীরে নারী ও শিশুদের জীবন ও সম্মানের কোনো নিরাপত্তা নেই। রাস্তাগুলো অপরাধীদের আখড়া হয়ে উঠছে।" শ্রীনগরের আরেক নারী এক্সে লেখেন, "আজ পুরো সমাজ ক্ষতবিক্ষত। যে শিশুটির ঈদের নামাজের প্রস্তুতি নেওয়ার কথা ছিল, আজ তার জন্য শোক পালন করা হচ্ছে।"

অল পার্টিজ হুরিয়ত কনফারেন্সের (APHC) সিনিয়র নেতা মীরওয়াইজ উমর ফারুক এই ঘটনাকে অত্যন্ত হৃদয়বিদারক ও উদ্বেগজনক আখ্যা দিয়ে এক্সে (X) লিখেছেন, "এই ঘটনা অত্যন্ত বেদনাদায়ক এবং এটি প্রতিটি মানুষের বিবেককে নাড়িয়ে দিয়েছে। আমাদের সন্তানরা এখন স্কুলে যাওয়ার পথেও নিরাপদ বোধ করছে না।" মীরওয়াইজ এই ঘটনার একটি সম্পূর্ণ ও স্বচ্ছ তদন্ত দাবি করেছেন এবং এই জঘন্য অপরাধের জন্য দায়ীদের আইনের সর্বোচ্চ ধারায় কঠোরতম শাস্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান অপরাধ

এই হত্যাকাণ্ড কাশ্মীরে নারী ও নাবালিকাদের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া ধারাবাহিক অপরাধের উদ্বেগজনক চিত্রকে আবারও সামনে এনেছে। সেখানে গার্হস্থ্য হিংসা, উত্যক্তকরণ, নিখোঁজ হওয়া এবং খুনের ঘটনা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। সম্প্রতি বুদগামেই এক নাবালিকা মেয়েকে অপহরণের চেষ্টাকালে বাধা দেওয়ায় এক নারীকে হত্যার ঘটনা ঘটেছিল, যা ব্যাপক উদ্বেগের সৃষ্টি করেছিল। শ্রীনগরের বাসিন্দা খালিদ আহমেদ শেখ বলেন, "মানুষ কেবল রাগান্বিতই নয়, তারা ভীষণ আতঙ্কিত। এই ধরনের অপরাধ সমাজে ভয়কে আরও গভীর করে এবং নারী ও শিশুদের সুরক্ষায় আদৌ কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে বাধ্য করে।"

শ্রীলগরের লাল চকের এক ব্যবসায়ী জানান, বাজারে বেচাকেনা চললেও মানুষের মনে কোনো আনন্দ নেই। যখন একটি শিশু এভাবে প্রাণ হারায়, তখন প্রতিটি ঘরেই শোকের আগুন জ্বলে।

ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরো (NCRB) এবং স্থানীয় পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২০ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে কাশ্মীরে নারীদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, পকসো (POCCO) মামলা, শ্লীলতাহানির মতো অপরাধের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালে ৩,৪০৫টি, ২০২১ সালে ৩,৯৩৭টি, ২০২২ সালে ৩,৭১৬টি এবং ২০২৪ সালে ৩,৩৬৬টি নারীদের বিরুদ্ধে অপরাধের মামলা নথিভুক্ত হয়েছে। শুধুমাত্র ২০২৪ সালেই জম্মু ও কাশ্মীরে ৩০৮টি পকসো (নাবালিকা সুরক্ষা আইন) মামলা রেকর্ড করা হয়েছে।


কওমী টাইমস

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ
সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ