শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
কওমি টাইমস একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান, স্বাধীন সাংবাদিকতা অব্যাহত রাখতে আপনার সহযোগিতা প্রয়োজন। সহযোগিতা করুন
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
কওমী টাইমস

যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় কিং আব্দুল আজিজ বিমান ঘাঁটিতে পৌঁছাল পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান ও বিশেষ সেনাদল

সৌদি আরবে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর শক্তিশালী বহর: কৌশলগত প্রতিরক্ষা চুক্তির বাস্তবায়ন শুরু



সৌদি আরবে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর শক্তিশালী বহর: কৌশলগত প্রতিরক্ষা চুক্তির বাস্তবায়ন শুরু

সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক 'কৌঁসুলিগত প্রতিরক্ষা চুক্তি' বাস্তবায়নে বড় এক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। শনিবার সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে দেশটিতে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর একটি শক্তিশালী কন্টিনজেন্ট পৌঁছানোর ঘোষণা দিয়েছে। এই বাহিনীর মধ্যে অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান ও বিশেষ কারিগরি সহায়তা দল অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক নিরাপত্তা সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় সেক্টরে অবস্থিত কিং আব্দুল আজিজ বিমান ঘাঁটিতে পৌঁছেছে পাকিস্তানের এই বিশেষ সামরিক বাহিনী। সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এই বহরে পাকিস্তান বিমান বাহিনীর অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান এবং প্রয়োজনীয় সামরিক সরঞ্জাম রয়েছে। এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য হলো দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে সামরিক সমন্বয় বৃদ্ধি করা এবং যেকোনো ধরনের প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলায় অপারেশনাল প্রস্তুতি তুঙ্গে রাখা।

২০২৫ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ এক ঐতিহাসিক প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। সেই চুক্তির মূল শর্ত অনুযায়ী, যেকোনো এক দেশের ওপর হামলা হলে তা অন্য দেশের ওপর হামলা হিসেবে গণ্য করা হবে। আজকের এই সামরিক উপস্থিতি মূলত সেই ‘যৌথ প্রতিরক্ষা ও পারস্পরিক সহযোগিতা’র বাস্তব প্রতিফলন।

আট দশকের দীর্ঘ ঐতিহাসিক ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান দৃঢ়তার সাথে বলেন, "যেকোনো আক্রমণকারীর বিরুদ্ধে সৌদি আরব ও পাকিস্তান সর্বদা এক কাতারে দাঁড়িয়ে লড়াই করবে।" সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান অস্থিতিশীলতা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার হুমকির মুখে রিয়াদ ও ইসলামাবাদের এই ঘনিষ্ঠ সামরিক অবস্থান অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এই চুক্তি কেবল দ্বিপাক্ষিক নিরাপত্তা নয়, বরং আন্তর্জাতিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় একটি বড় স্তম্ভ হিসেবে কাজ করবে।

বিষয় : পাকিস্তান সৌদি আরব

আপনার মতামত লিখুন

কওমী টাইমস

শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬


সৌদি আরবে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর শক্তিশালী বহর: কৌশলগত প্রতিরক্ষা চুক্তির বাস্তবায়ন শুরু

প্রকাশের তারিখ : ১১ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক 'কৌঁসুলিগত প্রতিরক্ষা চুক্তি' বাস্তবায়নে বড় এক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। শনিবার সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে দেশটিতে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর একটি শক্তিশালী কন্টিনজেন্ট পৌঁছানোর ঘোষণা দিয়েছে। এই বাহিনীর মধ্যে অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান ও বিশেষ কারিগরি সহায়তা দল অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক নিরাপত্তা সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় সেক্টরে অবস্থিত কিং আব্দুল আজিজ বিমান ঘাঁটিতে পৌঁছেছে পাকিস্তানের এই বিশেষ সামরিক বাহিনী। সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এই বহরে পাকিস্তান বিমান বাহিনীর অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান এবং প্রয়োজনীয় সামরিক সরঞ্জাম রয়েছে। এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য হলো দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে সামরিক সমন্বয় বৃদ্ধি করা এবং যেকোনো ধরনের প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলায় অপারেশনাল প্রস্তুতি তুঙ্গে রাখা।

২০২৫ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ এক ঐতিহাসিক প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। সেই চুক্তির মূল শর্ত অনুযায়ী, যেকোনো এক দেশের ওপর হামলা হলে তা অন্য দেশের ওপর হামলা হিসেবে গণ্য করা হবে। আজকের এই সামরিক উপস্থিতি মূলত সেই ‘যৌথ প্রতিরক্ষা ও পারস্পরিক সহযোগিতা’র বাস্তব প্রতিফলন।

আট দশকের দীর্ঘ ঐতিহাসিক ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান দৃঢ়তার সাথে বলেন, "যেকোনো আক্রমণকারীর বিরুদ্ধে সৌদি আরব ও পাকিস্তান সর্বদা এক কাতারে দাঁড়িয়ে লড়াই করবে।" সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান অস্থিতিশীলতা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার হুমকির মুখে রিয়াদ ও ইসলামাবাদের এই ঘনিষ্ঠ সামরিক অবস্থান অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এই চুক্তি কেবল দ্বিপাক্ষিক নিরাপত্তা নয়, বরং আন্তর্জাতিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় একটি বড় স্তম্ভ হিসেবে কাজ করবে।


কওমী টাইমস

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ
কপিরাইট © ২০২৬ কওমী টাইমস । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত