প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্পষ্ট করেছেন যে, বর্তমান সরকার রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের জন্য ধর্মকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করতে চায় না। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বৌদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি অতীতেও ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করেনি এবং বর্তমানেও তার ব্যতিক্রম হবে না। তিনি জোর দিয়ে বলেন, সরকারের প্রধান লক্ষ্য হলো এমন একটি সমাজ নির্মাণ করা যেখানে প্রতিটি নাগরিক, তিনি যে ধর্মেরই হোন না কেন, সমান নিরাপত্তা ও অধিকার ভোগ করবেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের সূত্র ধরে তিনি উল্লেখ করেন, "ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাবার অধিকার সবার।"
বৌদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী গৌতম বুদ্ধের ‘পঞ্চশীল নীতি’র (অহিংসা, সত্যবাদিতা, নৈতিকতা) গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় আইনের পাশাপাশি নাগরিকরা যদি নিজ নিজ ধর্মের নৈতিক শিক্ষা অনুসরণ করেন, তবে একটি মানবিক সমাজ গঠন সহজতর হবে। তিনি আরও মনে করিয়ে দেন যে, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করেছিলেন এবং সেই চেতনাতেই দেশ পরিচালিত হবে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’-কে একটি ঐক্যবদ্ধ দর্শন হিসেবে সংজ্ঞায়িত করেন। তিনি বৌদ্ধ সম্প্রদায়কে আশ্বস্ত করে বলেন, "নিজেদের সংখ্যালঘু ভাববেন না।" তিনি জোর দিয়ে বলেন, দেশের প্রতিটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও ধর্মীয় সম্প্রদায়ের নিবিড় সহাবস্থান নিশ্চিত করার একমাত্র পথ হলো বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ, যেখানে সবার বড় পরিচয় ‘আমরা বাংলাদেশি’।
প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্য একটি বহুত্ববাদী ও উদার গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি তুলে ধরে। ধর্মকে রাজনীতির ঊর্ধ্বে রেখে সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করাই আধুনিক শাসনের মূল ভিত্তি হওয়া উচিত।
বিষয় : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্পষ্ট করেছেন যে, বর্তমান সরকার রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের জন্য ধর্মকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করতে চায় না। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বৌদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি অতীতেও ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করেনি এবং বর্তমানেও তার ব্যতিক্রম হবে না। তিনি জোর দিয়ে বলেন, সরকারের প্রধান লক্ষ্য হলো এমন একটি সমাজ নির্মাণ করা যেখানে প্রতিটি নাগরিক, তিনি যে ধর্মেরই হোন না কেন, সমান নিরাপত্তা ও অধিকার ভোগ করবেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের সূত্র ধরে তিনি উল্লেখ করেন, "ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাবার অধিকার সবার।"
বৌদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী গৌতম বুদ্ধের ‘পঞ্চশীল নীতি’র (অহিংসা, সত্যবাদিতা, নৈতিকতা) গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় আইনের পাশাপাশি নাগরিকরা যদি নিজ নিজ ধর্মের নৈতিক শিক্ষা অনুসরণ করেন, তবে একটি মানবিক সমাজ গঠন সহজতর হবে। তিনি আরও মনে করিয়ে দেন যে, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করেছিলেন এবং সেই চেতনাতেই দেশ পরিচালিত হবে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’-কে একটি ঐক্যবদ্ধ দর্শন হিসেবে সংজ্ঞায়িত করেন। তিনি বৌদ্ধ সম্প্রদায়কে আশ্বস্ত করে বলেন, "নিজেদের সংখ্যালঘু ভাববেন না।" তিনি জোর দিয়ে বলেন, দেশের প্রতিটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও ধর্মীয় সম্প্রদায়ের নিবিড় সহাবস্থান নিশ্চিত করার একমাত্র পথ হলো বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ, যেখানে সবার বড় পরিচয় ‘আমরা বাংলাদেশি’।
প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্য একটি বহুত্ববাদী ও উদার গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি তুলে ধরে। ধর্মকে রাজনীতির ঊর্ধ্বে রেখে সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করাই আধুনিক শাসনের মূল ভিত্তি হওয়া উচিত।

আপনার মতামত লিখুন