শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
কওমী টাইমস

বিহারে কাজ করতে রাজী না হওয়ায় মুসলিম যুবক শাহজাদকে গাছে বেঁধে পিটিয়ে হত্যা! দুই মাস আগেই খুন হন তাঁর ভাইও। ১২ সন্তান ও দুই বিধবাকে নিয়ে বিচারহীনতার মুখে এক অসহায় পরিবার।

বিহারে দুই মাসের ব্যবধানে দুই মুসলিম ভাইকে পিটিয়ে ও ঝুলিয়ে হত্যার অভিযোগ



বিহারে দুই মাসের ব্যবধানে দুই মুসলিম ভাইকে পিটিয়ে ও ঝুলিয়ে হত্যার অভিযোগ

ভারতের বিহার রাজ্যের সিওয়ানে গত ৩০ মে (শনিবার) শাহজাদ আলী (২৫) নামে এক মুসলিম যুবককে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে প্রকাশ্যে গাছে বেঁধে পিটিয়ে হত্যা করেছে একদল উগ্রপন্থী। নিহতের পরিবারের দাবি, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং গত দুই মাস আগে তার বড় ভাইকেও একইভাবে রহস্যজনক পরিস্থিতিতে হত্যা করা হয়েছিল। স্থানীয় এলাকায় বিরাজমান সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার জেরেই এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডগুলো ঘটানো হয়েছে বলে পরিবার অভিযোগ করেছে।

আইনের শাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ভারতের বিহারের সিওয়ানে আবারও এক মুসলিম যুবককে পিটিয়ে মারার ঘটনা ঘটেছে। বরহারিয়া থানার অন্তর্গত শিবরাজপুর গ্রামে এই বর্বরোচিত ঘটনাটি ঘটে। নিহতের পরিবার এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা গেছে, অতীতের একটি তুচ্ছ বিরোধকে কেন্দ্র করে স্থানীয় পাঁচ থেকে ছয়জন গ্রামবাসী শাহজাদ আলীর বাড়িতে আসে এবং তাকে বাইরে ডেকে নিয়ে যায়। এর মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পরিবারের কাছে শাহজাদের মৃত্যুর খবর পৌঁছায়।

প্রকাশ্যে গাছে বেঁধে নৃশংস নির্যাতন

নিহত শাহজাদের স্ত্রী মবিনা খাতুন থানায় দেওয়া তাঁর লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেছেন, মন্টু কুমার, ছত্তু মাঞ্জি, প্রমেন্দ্র মাঞ্জি, গুড্ডু মাঞ্জি, অবধেশ চৌধুরী, অবধ কিশোর চৌধুরী এবং রঞ্জন চৌধুরীসহ শিবরাজপুর গ্রামের আটজন ব্যক্তি এই হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত। তারা শাহজাদকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে একটি গাছের সাথে বাঁধে। এরপর লাঠি, কিল, ঘুষি এবং লাথি মেরে প্রকাশ্যে তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। শুধু তাই নয়, মৃত্যুর আগে শাহজাদের কাছ থেকে প্রায় ৫,০০০ টাকা নগদ লুটে নেওয়া হয় বলেও মবিনা খাতুন অভিযোগ করেন। শাহজাদের ভাবি নাসিমা খাতুনও একই অভিযোগ করে বলেন, শাহজাদ যখন বাইক নিয়ে ফিরছিলেন, তখন এই চক্রটি তাঁর ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

দুই মাসে দুই ভাইকে হারিয়ে নিঃস্ব পরিবার

শাহজাদের পিতা কায়ামুদ্দিন শাহ কান্নায় ভেঙে পড়ে জানান, এটি তাঁদের পরিবারে প্রথম আঘাত নয়। মাত্র দুই মাস আগে শাহজাদের বড় ভাই নওশাদ আলীকেও একটি গাছের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল। পরিবারের দৃঢ় বিশ্বাস, এলাকার উগ্রপন্থী চক্রই পরিকল্পিতভাবে নওশাদকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রেখেছিল। পরপর দুই উপার্জনক্ষম ছেলেকে হারিয়ে পরিবারটি এখন সম্পূর্ণ দিশেহারা। নওশাদের আটটি এবং শাহজাদের চারটিসহ মোট ১২টি ছোট ছোট সন্তান এবং দুই বিধবা স্ত্রীর ভরণপোষণের এখন আর কেউ বেঁচে নেই।

পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ

পরিবারের পক্ষ থেকে স্থানীয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে অসহযোগিতা এবং উল্টো হুমকির অভিযোগ আনা হয়েছে। কায়ামুদ্দিন শাহ বলেন, "আমরা যখন পুলিশের সাথে কথা বলতে যাই, তারা বলে এই বিষয়ে তাদের কিছু করার নেই। উল্টো আমাদেরকেই থানায় আটকে রাখার হুমকি দেওয়া হয়।"

পারিবারিক আত্মীয় মোহাম্মদ মিত্থু শাহ জানান, শাহজাদের দাফন সম্পন্ন করার সময় প্রশাসন আশ্বাস দিয়েছিল যে দুই দিনের মধ্যে সব আসামিকে গ্রেপ্তার করা হবে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আগামী ১০ জুনের মধ্যে খুনিদের গ্রেপ্তার করা না হলে পুরো গ্রামবাসী থানা ঘেরাও করে বিশাল প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করবে।

হত্যার নেপথ্যে যে তুচ্ছ কারণ

মিত্থু শাহ আরও প্রকাশ করেন যে, নিহত ভাইয়েরা পেশায় বাবুর্চি (Catering Services) ছিলেন। কয়েক মাস আগে অভিযুক্তদের একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে রান্নার কাজ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন শাহজাদ, কারণ সেই সময় তিনি ব্যস্ত ছিলেন। মিত্থু শাহ প্রশ্ন তোলেন, "তারা গরিব দিনমজুর। রান্না করা তাদের দক্ষতা, তারা কোথায় কাজ করবে সেটা তাদের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। কাজ করতে না চাওয়ার কারণে কি কাউকে এভাবে পিটিয়ে মেরে ফেলা যায়?" পরিবার এখন আসামিদের ফাঁসি এবং দুই বিধবা পরিবারের বেঁচে থাকার জন্য সরকারের কাছে কমপক্ষে ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছে।

ভারতে সাম্প্রতিক সময়ে তথাকথিত 'মব লিঞ্চিং' বা গণপিটুনি এবং সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর ওপর হামলার ঘটনা নিয়ে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো ক্রমাগত উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে। আইনি কাঠামো অনুযায়ী, যেকোনো অপরাধের বিচার নিশ্চিত করার দায়িত্ব আদালতের, আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে কাউকে হত্যা করা ভারতীয় দণ্ডবিধি অনুযায়ী গুরুতর অপরাধ। এই ঘটনায় স্থানীয় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী পুলিশের পক্ষ থেকে হুমকি দেওয়ার বিষয়টি যদি সত্য হয়, তবে তা আইনের শাসন ও নাগরিক অধিকারের চরম লঙ্ঘন। প্রশাসন ভুক্তভোগীদের ২ দিনের মধ্যে দোষীদের গ্রেপ্তারের আশ্বাস দিলেও এখন পর্যন্ত মূল অভিযুক্তদের আটক সংক্রান্ত কোনো তথ্য স্বাধীন সূত্রে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পরিবারের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ৫০ লাখ রুপি ক্ষতিপূরণের দাবি জানানো হয়েছে।

বিহারের সিওয়ান জেলা এবং সংশ্লিষ্ট এলাকায় এর আগেও বিভিন্ন সময়ে বিচ্ছিন্ন সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ও শ্রমজীবী মানুষের ওপর স্থানীয় প্রভাবশালী গোষ্ঠীর আধিপত্য বিস্তারের ঘটনা ঘটেছে। নিহত পরিবারটি অত্যন্ত দরিদ্র এবং দিনমজুর হিসেবে বিয়ে বা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে রান্না করে জীবিকা নির্বাহ করত। স্বাধীনভাবে কাজ বেছে নেওয়ার অধিকারকে কেন্দ্র করে এই সহিংসতা গ্রামীণ ভারতের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তার অভাবকে পুনর্বার সামনে এনেছে।

বিষয় : মানবাধিকার ভারত সংখ্যালঘু

আপনার মতামত লিখুন

কওমী টাইমস

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬


বিহারে দুই মাসের ব্যবধানে দুই মুসলিম ভাইকে পিটিয়ে ও ঝুলিয়ে হত্যার অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুন ২০২৬

featured Image

ভারতের বিহার রাজ্যের সিওয়ানে গত ৩০ মে (শনিবার) শাহজাদ আলী (২৫) নামে এক মুসলিম যুবককে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে প্রকাশ্যে গাছে বেঁধে পিটিয়ে হত্যা করেছে একদল উগ্রপন্থী। নিহতের পরিবারের দাবি, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং গত দুই মাস আগে তার বড় ভাইকেও একইভাবে রহস্যজনক পরিস্থিতিতে হত্যা করা হয়েছিল। স্থানীয় এলাকায় বিরাজমান সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার জেরেই এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডগুলো ঘটানো হয়েছে বলে পরিবার অভিযোগ করেছে।

আইনের শাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ভারতের বিহারের সিওয়ানে আবারও এক মুসলিম যুবককে পিটিয়ে মারার ঘটনা ঘটেছে। বরহারিয়া থানার অন্তর্গত শিবরাজপুর গ্রামে এই বর্বরোচিত ঘটনাটি ঘটে। নিহতের পরিবার এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা গেছে, অতীতের একটি তুচ্ছ বিরোধকে কেন্দ্র করে স্থানীয় পাঁচ থেকে ছয়জন গ্রামবাসী শাহজাদ আলীর বাড়িতে আসে এবং তাকে বাইরে ডেকে নিয়ে যায়। এর মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পরিবারের কাছে শাহজাদের মৃত্যুর খবর পৌঁছায়।

প্রকাশ্যে গাছে বেঁধে নৃশংস নির্যাতন

নিহত শাহজাদের স্ত্রী মবিনা খাতুন থানায় দেওয়া তাঁর লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেছেন, মন্টু কুমার, ছত্তু মাঞ্জি, প্রমেন্দ্র মাঞ্জি, গুড্ডু মাঞ্জি, অবধেশ চৌধুরী, অবধ কিশোর চৌধুরী এবং রঞ্জন চৌধুরীসহ শিবরাজপুর গ্রামের আটজন ব্যক্তি এই হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত। তারা শাহজাদকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে একটি গাছের সাথে বাঁধে। এরপর লাঠি, কিল, ঘুষি এবং লাথি মেরে প্রকাশ্যে তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। শুধু তাই নয়, মৃত্যুর আগে শাহজাদের কাছ থেকে প্রায় ৫,০০০ টাকা নগদ লুটে নেওয়া হয় বলেও মবিনা খাতুন অভিযোগ করেন। শাহজাদের ভাবি নাসিমা খাতুনও একই অভিযোগ করে বলেন, শাহজাদ যখন বাইক নিয়ে ফিরছিলেন, তখন এই চক্রটি তাঁর ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

দুই মাসে দুই ভাইকে হারিয়ে নিঃস্ব পরিবার

শাহজাদের পিতা কায়ামুদ্দিন শাহ কান্নায় ভেঙে পড়ে জানান, এটি তাঁদের পরিবারে প্রথম আঘাত নয়। মাত্র দুই মাস আগে শাহজাদের বড় ভাই নওশাদ আলীকেও একটি গাছের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল। পরিবারের দৃঢ় বিশ্বাস, এলাকার উগ্রপন্থী চক্রই পরিকল্পিতভাবে নওশাদকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রেখেছিল। পরপর দুই উপার্জনক্ষম ছেলেকে হারিয়ে পরিবারটি এখন সম্পূর্ণ দিশেহারা। নওশাদের আটটি এবং শাহজাদের চারটিসহ মোট ১২টি ছোট ছোট সন্তান এবং দুই বিধবা স্ত্রীর ভরণপোষণের এখন আর কেউ বেঁচে নেই।

পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ

পরিবারের পক্ষ থেকে স্থানীয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে অসহযোগিতা এবং উল্টো হুমকির অভিযোগ আনা হয়েছে। কায়ামুদ্দিন শাহ বলেন, "আমরা যখন পুলিশের সাথে কথা বলতে যাই, তারা বলে এই বিষয়ে তাদের কিছু করার নেই। উল্টো আমাদেরকেই থানায় আটকে রাখার হুমকি দেওয়া হয়।"

পারিবারিক আত্মীয় মোহাম্মদ মিত্থু শাহ জানান, শাহজাদের দাফন সম্পন্ন করার সময় প্রশাসন আশ্বাস দিয়েছিল যে দুই দিনের মধ্যে সব আসামিকে গ্রেপ্তার করা হবে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আগামী ১০ জুনের মধ্যে খুনিদের গ্রেপ্তার করা না হলে পুরো গ্রামবাসী থানা ঘেরাও করে বিশাল প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করবে।

হত্যার নেপথ্যে যে তুচ্ছ কারণ

মিত্থু শাহ আরও প্রকাশ করেন যে, নিহত ভাইয়েরা পেশায় বাবুর্চি (Catering Services) ছিলেন। কয়েক মাস আগে অভিযুক্তদের একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে রান্নার কাজ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন শাহজাদ, কারণ সেই সময় তিনি ব্যস্ত ছিলেন। মিত্থু শাহ প্রশ্ন তোলেন, "তারা গরিব দিনমজুর। রান্না করা তাদের দক্ষতা, তারা কোথায় কাজ করবে সেটা তাদের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। কাজ করতে না চাওয়ার কারণে কি কাউকে এভাবে পিটিয়ে মেরে ফেলা যায়?" পরিবার এখন আসামিদের ফাঁসি এবং দুই বিধবা পরিবারের বেঁচে থাকার জন্য সরকারের কাছে কমপক্ষে ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছে।

ভারতে সাম্প্রতিক সময়ে তথাকথিত 'মব লিঞ্চিং' বা গণপিটুনি এবং সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর ওপর হামলার ঘটনা নিয়ে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো ক্রমাগত উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে। আইনি কাঠামো অনুযায়ী, যেকোনো অপরাধের বিচার নিশ্চিত করার দায়িত্ব আদালতের, আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে কাউকে হত্যা করা ভারতীয় দণ্ডবিধি অনুযায়ী গুরুতর অপরাধ। এই ঘটনায় স্থানীয় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী পুলিশের পক্ষ থেকে হুমকি দেওয়ার বিষয়টি যদি সত্য হয়, তবে তা আইনের শাসন ও নাগরিক অধিকারের চরম লঙ্ঘন। প্রশাসন ভুক্তভোগীদের ২ দিনের মধ্যে দোষীদের গ্রেপ্তারের আশ্বাস দিলেও এখন পর্যন্ত মূল অভিযুক্তদের আটক সংক্রান্ত কোনো তথ্য স্বাধীন সূত্রে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পরিবারের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ৫০ লাখ রুপি ক্ষতিপূরণের দাবি জানানো হয়েছে।

বিহারের সিওয়ান জেলা এবং সংশ্লিষ্ট এলাকায় এর আগেও বিভিন্ন সময়ে বিচ্ছিন্ন সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ও শ্রমজীবী মানুষের ওপর স্থানীয় প্রভাবশালী গোষ্ঠীর আধিপত্য বিস্তারের ঘটনা ঘটেছে। নিহত পরিবারটি অত্যন্ত দরিদ্র এবং দিনমজুর হিসেবে বিয়ে বা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে রান্না করে জীবিকা নির্বাহ করত। স্বাধীনভাবে কাজ বেছে নেওয়ার অধিকারকে কেন্দ্র করে এই সহিংসতা গ্রামীণ ভারতের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তার অভাবকে পুনর্বার সামনে এনেছে।


কওমী টাইমস

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ
সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ