ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ ও যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত গাজা উপত্যকায় সাধারণ মানুষের দুর্দশা লাঘবে বড় ধরনের খাদ্য সহায়তা প্রদান করেছে সৌদি আরব। 'কিং সালমান মানবিক সহায়তা ও ত্রাণ কেন্দ্র'-এর কেন্দ্রীয় রান্নাঘরের মাধ্যমে মধ্য ও দক্ষিণ গাজার সবচেয়ে অসহায় ২৪,৫০০ জন ফিলিস্তিনির মাঝে সদ্ব্যবহারযোগ্য গরম খাবার বিতরণ করা হয়েছে। অবরুদ্ধ এই অঞ্চলের ভয়াবহ মানবিক সংকট মোকাবিলায় ফিলিস্তিনি জনগণের পাশে দাঁড়াতে সৌদি আরবের চলমান জাতীয় ত্রাণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
ইসরায়েলি হামলা ও দীর্ঘদিনের অবরোধের কারণে চরম খাদ্য সংকট ও মানবিক বিপর্যয়ে দিন কাটাচ্ছেন ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার বাসিন্দারা। এমন কঠিন পরিস্থিতিতে ফিলিস্তিনিদের বেঁচে থাকার সহায়তায় ও ক্ষুধা মেটাতে ধারাবাহিকভাবে ত্রাণ সহায়তা চালিয়ে যাচ্ছে সৌদি আরব।
এরই ধারাবাহিকতায়, গত পরশু ‘কিং সালমান মানবিক সহায়তা ও ত্রাণ কেন্দ্র’ (KSrelief)-এর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত একটি কেন্দ্রীয় রান্নাঘর থেকে মধ্য ও দক্ষিণ গাজার বিভিন্ন শরণার্থী শিবির ও সংঘাতপূর্ণ এলাকায় বসবাসরত অসচ্ছল ও অতিপ্রয়োজনীয় ফিলিস্তিনি পরিবারগুলোর মাঝে ২৪,৫০০ প্যাকেট সুষম গরম খাবার বিতরণ করা হয়। এই উদ্যোগের ফলে সরাসরি উপকৃত হয়েছেন ২৪,৫০০ জন ফিলিস্তিনি নাগরিক।
ফিলিস্তিনি ভাইবোনদের মানবিক সহায়তা দিতে সৌদি সরকার ও সে দেশের জনগণের যৌথ উদ্যোগে যে 'সৌদি পিপলস ক্যাম্পেইন' পরিচালিত হচ্ছে, এটি তারই একটি অংশ। দীর্ঘদিন ধরে চলা সংঘাতে গাজার গৃহহীন ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারগুলো যেখানে প্রতিদিনের ন্যূনতম খাবার জোগাড় করতে হিমশিম খাচ্ছে, সেখানে এই কার্যক্রম স্থানীয়দের তাৎক্ষণিক পুষ্টি ও স্বস্তি জুগিয়েছে।
কিং সালমান রিলিফ সেন্টার তাদের মানবিক দায়িত্বের অংশ হিসেবে নিয়মিত এ ধরনের জীবনরক্ষাকারী সাহায্য পৌঁছে দিচ্ছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, বর্তমান চলমান সংকট ও অনাহারের প্রেক্ষাপটে ফিলিস্তিনি জনগণের কষ্ট লাঘব এবং বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোকে খাদ্য সহায়তা প্রদান অব্যাহত রাখা তাদের অন্যতম অগ্রাধিকার। আন্তর্জাতিক মানবিক আইন ও ইসলামী ভ্রাতৃত্ববোধের জায়গা থেকে বিশ্বজুড়ে নিপীড়িত ও বিপর্যস্ত মুসলিম জনগোষ্ঠীর পাশে সৌদি আরবের এই সহায়তামূলক ভূমিকা অব্যাহত থাকবে।

সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৬
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ ও যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত গাজা উপত্যকায় সাধারণ মানুষের দুর্দশা লাঘবে বড় ধরনের খাদ্য সহায়তা প্রদান করেছে সৌদি আরব। 'কিং সালমান মানবিক সহায়তা ও ত্রাণ কেন্দ্র'-এর কেন্দ্রীয় রান্নাঘরের মাধ্যমে মধ্য ও দক্ষিণ গাজার সবচেয়ে অসহায় ২৪,৫০০ জন ফিলিস্তিনির মাঝে সদ্ব্যবহারযোগ্য গরম খাবার বিতরণ করা হয়েছে। অবরুদ্ধ এই অঞ্চলের ভয়াবহ মানবিক সংকট মোকাবিলায় ফিলিস্তিনি জনগণের পাশে দাঁড়াতে সৌদি আরবের চলমান জাতীয় ত্রাণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
ইসরায়েলি হামলা ও দীর্ঘদিনের অবরোধের কারণে চরম খাদ্য সংকট ও মানবিক বিপর্যয়ে দিন কাটাচ্ছেন ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার বাসিন্দারা। এমন কঠিন পরিস্থিতিতে ফিলিস্তিনিদের বেঁচে থাকার সহায়তায় ও ক্ষুধা মেটাতে ধারাবাহিকভাবে ত্রাণ সহায়তা চালিয়ে যাচ্ছে সৌদি আরব।
এরই ধারাবাহিকতায়, গত পরশু ‘কিং সালমান মানবিক সহায়তা ও ত্রাণ কেন্দ্র’ (KSrelief)-এর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত একটি কেন্দ্রীয় রান্নাঘর থেকে মধ্য ও দক্ষিণ গাজার বিভিন্ন শরণার্থী শিবির ও সংঘাতপূর্ণ এলাকায় বসবাসরত অসচ্ছল ও অতিপ্রয়োজনীয় ফিলিস্তিনি পরিবারগুলোর মাঝে ২৪,৫০০ প্যাকেট সুষম গরম খাবার বিতরণ করা হয়। এই উদ্যোগের ফলে সরাসরি উপকৃত হয়েছেন ২৪,৫০০ জন ফিলিস্তিনি নাগরিক।
ফিলিস্তিনি ভাইবোনদের মানবিক সহায়তা দিতে সৌদি সরকার ও সে দেশের জনগণের যৌথ উদ্যোগে যে 'সৌদি পিপলস ক্যাম্পেইন' পরিচালিত হচ্ছে, এটি তারই একটি অংশ। দীর্ঘদিন ধরে চলা সংঘাতে গাজার গৃহহীন ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারগুলো যেখানে প্রতিদিনের ন্যূনতম খাবার জোগাড় করতে হিমশিম খাচ্ছে, সেখানে এই কার্যক্রম স্থানীয়দের তাৎক্ষণিক পুষ্টি ও স্বস্তি জুগিয়েছে।
কিং সালমান রিলিফ সেন্টার তাদের মানবিক দায়িত্বের অংশ হিসেবে নিয়মিত এ ধরনের জীবনরক্ষাকারী সাহায্য পৌঁছে দিচ্ছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, বর্তমান চলমান সংকট ও অনাহারের প্রেক্ষাপটে ফিলিস্তিনি জনগণের কষ্ট লাঘব এবং বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোকে খাদ্য সহায়তা প্রদান অব্যাহত রাখা তাদের অন্যতম অগ্রাধিকার। আন্তর্জাতিক মানবিক আইন ও ইসলামী ভ্রাতৃত্ববোধের জায়গা থেকে বিশ্বজুড়ে নিপীড়িত ও বিপর্যস্ত মুসলিম জনগোষ্ঠীর পাশে সৌদি আরবের এই সহায়তামূলক ভূমিকা অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন