ইরানের ঐতিহাসিক জঞ্জান প্রদেশে অবস্থিত শতবর্ষী 'আজম মসজিদে' সরাসরি বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বাহিনী। মঙ্গলবার ভোরের এই হামলায় অন্তত ৩ জন নিহত হয়েছেন এবং গুরুতর আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন। এই হামলায় ঊনবিংশ শতাব্দীতে নির্মিত প্রাচীন মসজিদটির মূল অবকাঠামোসহ সংলগ্ন লাইব্রেরি ও সভাকক্ষ সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তজনা ও যুদ্ধের ভয়াবহতায় এবার আক্রান্ত হলো ইরানের ধর্মীয় ও স্থাপত্য ঐতিহ্যের অন্যতম নিদর্শন 'জঞ্জান আজম মসজিদ'। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা (IRNA)-র বরাত দিয়ে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী জঞ্জান প্রদেশের এই ঐতিহাসিক স্থাপনাটিকে লক্ষ্য করে সরাসরি হামলা চালায়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রকাশিত ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে মসজিদটির আকাশচুম্বী মিনারগুলো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হামলার তীব্রতায় ১৯শ শতাব্দীতে নির্মিত মূল প্রাঙ্গণের পাশের সভাকক্ষ এবং অমূল্য বইয়ে ঠাসা লাইব্রেরি ভবনটি পুরোপুরি মাটির সাথে মিশে গেছে। ইরান সরকারের পক্ষ থেকে এই হামলাকে পরিকল্পিত এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ওপর আঘাত হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।
ঐতিহাসিক এই মসজিদটি কেবল একটি ধর্মীয় উপাসনালয় ছিল না, বরং এটি ইরানের শিল্প ও স্থাপত্যের এক অনন্য নিদর্শন ছিল। হামলার সময় মসজিদের ভেতর থাকা অন্তত তিন ব্যক্তি প্রাণ হারান। বর্তমানে উদ্ধারকারী দল ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও কেউ আটকা পড়ে আছে কি না, তা তল্লাশি করে দেখছে। এই হামলার পর পুরো জঞ্জান প্রদেশসহ ইরানজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় বইছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক স্থাপনায় সরাসরি এমন হামলা চলমান সংঘাতকে আরও জটিল ও নিয়ন্ত্রণের বাইরে নিয়ে যেতে পারে।
বিষয় : ইরান

শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬
ইরানের ঐতিহাসিক জঞ্জান প্রদেশে অবস্থিত শতবর্ষী 'আজম মসজিদে' সরাসরি বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বাহিনী। মঙ্গলবার ভোরের এই হামলায় অন্তত ৩ জন নিহত হয়েছেন এবং গুরুতর আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন। এই হামলায় ঊনবিংশ শতাব্দীতে নির্মিত প্রাচীন মসজিদটির মূল অবকাঠামোসহ সংলগ্ন লাইব্রেরি ও সভাকক্ষ সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তজনা ও যুদ্ধের ভয়াবহতায় এবার আক্রান্ত হলো ইরানের ধর্মীয় ও স্থাপত্য ঐতিহ্যের অন্যতম নিদর্শন 'জঞ্জান আজম মসজিদ'। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা (IRNA)-র বরাত দিয়ে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী জঞ্জান প্রদেশের এই ঐতিহাসিক স্থাপনাটিকে লক্ষ্য করে সরাসরি হামলা চালায়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রকাশিত ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে মসজিদটির আকাশচুম্বী মিনারগুলো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হামলার তীব্রতায় ১৯শ শতাব্দীতে নির্মিত মূল প্রাঙ্গণের পাশের সভাকক্ষ এবং অমূল্য বইয়ে ঠাসা লাইব্রেরি ভবনটি পুরোপুরি মাটির সাথে মিশে গেছে। ইরান সরকারের পক্ষ থেকে এই হামলাকে পরিকল্পিত এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ওপর আঘাত হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।
ঐতিহাসিক এই মসজিদটি কেবল একটি ধর্মীয় উপাসনালয় ছিল না, বরং এটি ইরানের শিল্প ও স্থাপত্যের এক অনন্য নিদর্শন ছিল। হামলার সময় মসজিদের ভেতর থাকা অন্তত তিন ব্যক্তি প্রাণ হারান। বর্তমানে উদ্ধারকারী দল ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও কেউ আটকা পড়ে আছে কি না, তা তল্লাশি করে দেখছে। এই হামলার পর পুরো জঞ্জান প্রদেশসহ ইরানজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় বইছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক স্থাপনায় সরাসরি এমন হামলা চলমান সংঘাতকে আরও জটিল ও নিয়ন্ত্রণের বাইরে নিয়ে যেতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন