দেশের বাজারে নিত্যপণ্যের দাম অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। সংগঠনটির মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমাদ এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, অসাধু সিন্ডিকেট ও চাঁদাবাজির কারণে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের জীবন এখন দুর্বিষহ। তিনি বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারকে কেবল লোক দেখানো অভিযান নয়, বরং কঠোর ও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমাদ বলেন, পবিত্র ঈদুল ফিতরের পর থেকে সবজি, মুরগি, ভোজ্যতেল এবং চিনির দাম অযৌক্তিকভাবে বাড়ানো হয়েছে। বাজারে পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও কৃত্রিম সংকটের মাধ্যমে দাম বাড়ানো হচ্ছে।
মূল্যবৃদ্ধির একটি তুলনামূলক চিত্র নিচে তুলে ধরা হলো:
| পণ্যের নাম | বর্তমান দাম (কেজি/লিটার) | পূর্বের দাম (রোজার সময়) |
| সোনালি মুরগি | ৪০০ – ৪৩০ টাকা | ২৭০ – ৩০০ টাকা |
| গরুর মাংস | ৮০০ টাকা | ৭৫০ – ৭৮০ টাকা |
| সয়াবিন তেল | ৫ টাকা বৃদ্ধি (লিটার প্রতি) | - |
| এলপিজি সিলিন্ডার (১২ কেজি) | ২০০০ – ২২০০ টাকা (খুচরা) | ১৭২৮ টাকা (নির্ধারিত) |
| সবজি (ঝিঙে, চিচিঙ্গা) | ১০০ টাকা (বা তার বেশি) | ৭০ – ৮০ টাকা |
তিনি উল্লেখ করেন, বাজারে কোনো যৌক্তিক কারণ ছাড়াই সিন্ডিকেট করে দাম বাড়ানো হচ্ছে। বিশেষ করে এলপিজি গ্যাসের দাম নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে প্রায় ৩০০-৫০০ টাকা বেশি দরে বিক্রি হচ্ছে, যা চরম অব্যবস্থাপনার বহিঃপ্রকাশ।
সিন্ডিকেট ও চাঁদাবাজি বন্ধের দাবি
বিবৃতিতে মাওলানা ইউনুস আহমাদ সরাসরি অভিযোগ করেন যে, সড়ক ও বাজারে ব্যাপক চাঁদাবাজি এবং ব্যবসায়ীদের অতিমুনাফালোভী মানসিকতার কারণেই সাধারণ মানুষ কষ্ট পাচ্ছে। তিনি সরকারের কাছে তিনটি প্রধান দাবি জানান:
মার্কিন হুমকির প্রতিবাদ ও উদ্বেগ
একই সঙ্গে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের নেতৃবৃন্দ পারস্য সভ্যতা বা ইরানকে কেন্দ্র করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক হুমকির তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ুম ও সেক্রেটারি মোঃ আব্দুল আউয়াল মজুমদার এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, একটি প্রাচীন সভ্যতাকে মুছে ফেলার হুমকি মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন।
তারা মনে করেন, আমেরিকা ও ইসরায়েলের এই আগ্রাসী নীতি বিশ্বব্যাপী অশান্তির দাবানল জ্বালিয়ে দিচ্ছে। মুসলিম উম্মাহকে ঐক্যবদ্ধভাবে এই ঔদ্ধত্য রুখে দেওয়ার আহ্বান জানান তারা।
বিষয় : ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬
দেশের বাজারে নিত্যপণ্যের দাম অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। সংগঠনটির মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমাদ এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, অসাধু সিন্ডিকেট ও চাঁদাবাজির কারণে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের জীবন এখন দুর্বিষহ। তিনি বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারকে কেবল লোক দেখানো অভিযান নয়, বরং কঠোর ও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমাদ বলেন, পবিত্র ঈদুল ফিতরের পর থেকে সবজি, মুরগি, ভোজ্যতেল এবং চিনির দাম অযৌক্তিকভাবে বাড়ানো হয়েছে। বাজারে পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও কৃত্রিম সংকটের মাধ্যমে দাম বাড়ানো হচ্ছে।
মূল্যবৃদ্ধির একটি তুলনামূলক চিত্র নিচে তুলে ধরা হলো:
| পণ্যের নাম | বর্তমান দাম (কেজি/লিটার) | পূর্বের দাম (রোজার সময়) |
| সোনালি মুরগি | ৪০০ – ৪৩০ টাকা | ২৭০ – ৩০০ টাকা |
| গরুর মাংস | ৮০০ টাকা | ৭৫০ – ৭৮০ টাকা |
| সয়াবিন তেল | ৫ টাকা বৃদ্ধি (লিটার প্রতি) | - |
| এলপিজি সিলিন্ডার (১২ কেজি) | ২০০০ – ২২০০ টাকা (খুচরা) | ১৭২৮ টাকা (নির্ধারিত) |
| সবজি (ঝিঙে, চিচিঙ্গা) | ১০০ টাকা (বা তার বেশি) | ৭০ – ৮০ টাকা |
তিনি উল্লেখ করেন, বাজারে কোনো যৌক্তিক কারণ ছাড়াই সিন্ডিকেট করে দাম বাড়ানো হচ্ছে। বিশেষ করে এলপিজি গ্যাসের দাম নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে প্রায় ৩০০-৫০০ টাকা বেশি দরে বিক্রি হচ্ছে, যা চরম অব্যবস্থাপনার বহিঃপ্রকাশ।
সিন্ডিকেট ও চাঁদাবাজি বন্ধের দাবি
বিবৃতিতে মাওলানা ইউনুস আহমাদ সরাসরি অভিযোগ করেন যে, সড়ক ও বাজারে ব্যাপক চাঁদাবাজি এবং ব্যবসায়ীদের অতিমুনাফালোভী মানসিকতার কারণেই সাধারণ মানুষ কষ্ট পাচ্ছে। তিনি সরকারের কাছে তিনটি প্রধান দাবি জানান:
মার্কিন হুমকির প্রতিবাদ ও উদ্বেগ
একই সঙ্গে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের নেতৃবৃন্দ পারস্য সভ্যতা বা ইরানকে কেন্দ্র করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক হুমকির তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ুম ও সেক্রেটারি মোঃ আব্দুল আউয়াল মজুমদার এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, একটি প্রাচীন সভ্যতাকে মুছে ফেলার হুমকি মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন।
তারা মনে করেন, আমেরিকা ও ইসরায়েলের এই আগ্রাসী নীতি বিশ্বব্যাপী অশান্তির দাবানল জ্বালিয়ে দিচ্ছে। মুসলিম উম্মাহকে ঐক্যবদ্ধভাবে এই ঔদ্ধত্য রুখে দেওয়ার আহ্বান জানান তারা।

আপনার মতামত লিখুন