শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
কওমী টাইমস

শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে ভারতীয় সংস্কৃতির সাথে মিশে নিজস্ব স্বকীয়তা বজায় রেখেছে ইয়েমেনি ও হাদরামি বংশোদ্ভূত হায়দরাবাদি আরব সম্প্রদায়

হায়দরাবাদের 'বারকাস': দাক্ষিণাত্যের বুকে বেঁচে থাকা এক টুকরো আরব ঐতিহ্য



হায়দরাবাদের 'বারকাস': দাক্ষিণাত্যের বুকে বেঁচে থাকা এক টুকরো আরব ঐতিহ্য

ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় ঐতিহাসিক শহর হায়দরাবাদের বুকে কয়েক শতাব্দী ধরে গড়ে উঠেছে এক অনন্য আরব ডায়াসপোরা বা প্রবাসী সম্প্রদায়, যা আজ 'হায়দরাবাদি আরব' বা স্থানীয়ভাবে 'চাওশ' নামে পরিচিত। মধ্যযুগ থেকে শুরু করে আসাফ জাহি (নিজাম) রাজবংশের শাসনামল পর্যন্ত আরব উপদ্বীপ, বিশেষ করে ইয়েমেনের হাদরামাউত অঞ্চল থেকে আসা এই লড়াকু ও ধর্মপ্রাণ মানুষগুলো হায়দরাবাদের সামরিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কাঠামোর অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়। শত প্রতিকূলতা ও রাজনৈতিক পালাবদলের মধ্যেও তারা আজ ভারতের বুকে ধরে রেখেছে তাদের খাঁটি ইসলামি ঐতিহ্য ও আরব সংস্কৃতি।

ঐতিহাসিক সম্পর্কের সূচনা: বাণিজ্য থেকে বসতি স্থাপন

হায়দরাবাদে আরবদের আগমনের ইতিহাস বেশ প্রাচীন। ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকেই আরব বণিকরা ব্যবসার উদ্দেশ্যে ভারতের পশ্চিম উপকূল এবং মালাবার উপকূলে যাতায়াত শুরু করেন। পারস্য উপসাগর, ওমান এবং ইয়েমেনের বন্দরগুলো থেকে মসলা ও কাপড়ের বাণিজ্যকে কেন্দ্র করে যে সংযোগ তৈরি হয়েছিল, তা কেবল পণ্যের আদান-প্রদানই ঘটায়নি, বরং এই অঞ্চলে ইসলামের আলো ছড়িয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।

পরবর্তীতে বাহমানি সালতানাত এবং দাক্ষিণাত্যের অন্যান্য স্বাধীন সুলতানদের আমলে আরব থেকে বহু নামকরা আলেম, সুফি এবং দক্ষ সেনারা এখানে এসে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। ১৫৯১ সালে কুতুবশাহী রাজবংশের হাত ধরে ঐতিহাসিক হায়দরাবাদ শহর প্রতিষ্ঠা লাভ করলে এই ধারা আরও গতিশীল হয়।

নিজামদের সেনাবাহিনী ও হাদরামি বীরদের বীরত্বগাথা

অষ্টাদশ শতাব্দীতে হায়দরাবাদে আসাফ জাহি বা নিজাম রাজবংশের শাসনামলে আরবদের আগমন সবচেয়ে বড় রূপ নেয়। নিজামরা তাদের রাজ্যের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও রাজপ্রাসাদ পাহারার জন্য এমন এক বাহিনীর সন্ধান করছিলেন যারা হবে নির্ভীক ও চরম বিশ্বস্ত। এই সূত্র ধরে ইয়েমেনের শুষ্ক পাহাড়ি অঞ্চল 'হাদরামাউত', ওমান এবং হিজাজ থেকে হাজার হাজার লড়াকু আরবদের হায়দরাবাদ সেনাবাহিনীতে নিয়োগ দেওয়া হয়।

ইয়েমেনের হাদরামি আরবরাই মূলত এই ডায়াসপোরার মেরুদণ্ড। দাক্ষিণাত্যের জটিল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নিজামদের সবচেয়ে বিশ্বস্ত ও শক্তিশালী রক্ষাকবচ ছিল এই আরব বাহিনী। রাজপ্রাসাদের প্রধান পাহারাদার থেকে শুরু করে যেকোনো কঠিন সামরিক অভিযানে এই আরবরা তাদের সাহসিকতা ও শৃঙ্খলার প্রমাণ দিয়েছে।

জ্ঞানচর্চায় অবদান ও ইসলামের প্রচার-প্রসার

আরবরা কেবল অস্ত্র হাতেই লড়েনি, তারা হায়দরাবাদের জ্ঞান ও ধর্মীয় চেতনার জগতেও বিপ্লব ঘটিয়েছিল। ইয়েমেন ও হিজাজ থেকে আসা প্রখ্যাত ইসলামি স্কলার বা আলেম সমাজ হায়দরাবাদে অনেক চমৎকার মাদ্রাসা ও ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। তারা হাদিস, ফিকহ (ইসলামি আইন) এবং তাফসির শাস্ত্রের এক সমৃদ্ধ পরিবেশ তৈরি করেন, যা দক্ষিণ এশিয়া জুড়ে হায়দরাবাদকে অন্যতম প্রধান ইসলামি শিক্ষা কেন্দ্রে পরিণত করেছিল।

১৬১৭ সালে কুতুবশাহী রাজবংশের পঞ্চম শাসক সুলতান মুহাম্মদ কুলি কুতুব শাহ কর্তৃক নির্মিত ঐতিহাসিক মক্কা মসজিদ এই অঞ্চলের সমৃদ্ধ ইসলামি স্থাপত্যের অন্যতম সাক্ষী।

বারকাস: হায়দরাবাদের ভেতরেই যেন এক মিনি ইয়েমেন

হায়দরাবাদে আরব সংস্কৃতি সবচেয়ে জীবন্ত রূপ ধারণ করেছে যে এলাকাটিকে ঘিরে, তার নাম 'বারকাস' (Barkas)। ইংরেজি 'Barracks' (সেনা ছাউনি) শব্দ থেকে এই নামের উৎপত্তি। নিজামদের শাসনামলে আরব সৈন্যদের থাকার জন্য যে ছাউনি তৈরি করা হয়েছিল, সেটিই আজকের বারকাস।

আজও বারকাসে প্রবেশ করলে মনে হবে আপনি ভারতের কোনো শহর নয়, বরং ইয়েমেনের হাদরামাউতের কোনো জনপদে দাঁড়িয়ে আছেন। সেখানকার মানুষের পরনে ঐতিহ্যবাহী আরব পোশাক (লুঙ্গি বা ইজার), চেহারায় আরব বংশোদ্ভূত ছাপ এবং আতিথেয়তায় এখনো টিকে আছে মধ্যপ্রাচ্যের সংস্কৃতি।

বিশেষ করে হাদরামি রন্ধনশৈলী হায়দরাবাদের ঐতিহ্যবাহী বিরিয়ানির সমান্তরালে নিজের অবস্থান করে নিয়েছে। আরবদের ঐতিহ্যবাহী গোশতের পদ 'মান্দি' (Mandi) এবং 'কাবসা' (Kabsa) আজ পুরো হায়দরাবাদ তথা ভারতের ভোজনরসিকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়।

১৯৪৭ পরবর্তী সময় ও বর্তমান বাস্তবতা

১৯৪৭ সালে ভারতের স্বাধীনতার সময় হায়দরাবাদ নিজাম শাসিত একটি স্বাধীন রাজ্য হিসেবে টিকে থাকার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ১৯৪৮ সালে ভারত সরকারের বিতর্কিত সামরিক অভিযান 'অপারেশন পোলো' (Operation Polo)-র মাধ্যমে হায়দরাবাদকে ভারতের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এই অভিযানের পর নিজামদের রাজকীয় সেনাবাহিনী ভেঙে দেওয়া হয়, যা আরবদের জন্য এক বড় ধাক্কা ছিল। ঐতিহ্যগত সামরিক পেশা হারিয়ে অনেকে সংকটে পড়েছিলেন।

তবে সময়ের সাথে সাথে এই সাহসী জাতি নিজেদের পুনর্গঠিত করেছে। তারা ব্যবসা-বাণিজ্য, আধুনিক শিক্ষা ও মধ্যপ্রাচ্যের সাথে বাণিজ্যিক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার দিকে মন দেয়। বিশেষ করে গত কয়েক দশকে পারস্য উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর (সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার) অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি হায়দরাবাদি আরবদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেয়। দুই অঞ্চলের আত্মীয়তার সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে তারা আজ মধ্যপ্রাচ্য ও ভারতের মাঝে এক মজবুত অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সেতু হিসেবে কাজ করছে।

বিষয় : হায়দরাবাদ

আপনার মতামত লিখুন

কওমী টাইমস

শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬


হায়দরাবাদের 'বারকাস': দাক্ষিণাত্যের বুকে বেঁচে থাকা এক টুকরো আরব ঐতিহ্য

প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুলাই ২০২৬

featured Image

ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় ঐতিহাসিক শহর হায়দরাবাদের বুকে কয়েক শতাব্দী ধরে গড়ে উঠেছে এক অনন্য আরব ডায়াসপোরা বা প্রবাসী সম্প্রদায়, যা আজ 'হায়দরাবাদি আরব' বা স্থানীয়ভাবে 'চাওশ' নামে পরিচিত। মধ্যযুগ থেকে শুরু করে আসাফ জাহি (নিজাম) রাজবংশের শাসনামল পর্যন্ত আরব উপদ্বীপ, বিশেষ করে ইয়েমেনের হাদরামাউত অঞ্চল থেকে আসা এই লড়াকু ও ধর্মপ্রাণ মানুষগুলো হায়দরাবাদের সামরিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কাঠামোর অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়। শত প্রতিকূলতা ও রাজনৈতিক পালাবদলের মধ্যেও তারা আজ ভারতের বুকে ধরে রেখেছে তাদের খাঁটি ইসলামি ঐতিহ্য ও আরব সংস্কৃতি।

ঐতিহাসিক সম্পর্কের সূচনা: বাণিজ্য থেকে বসতি স্থাপন

হায়দরাবাদে আরবদের আগমনের ইতিহাস বেশ প্রাচীন। ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকেই আরব বণিকরা ব্যবসার উদ্দেশ্যে ভারতের পশ্চিম উপকূল এবং মালাবার উপকূলে যাতায়াত শুরু করেন। পারস্য উপসাগর, ওমান এবং ইয়েমেনের বন্দরগুলো থেকে মসলা ও কাপড়ের বাণিজ্যকে কেন্দ্র করে যে সংযোগ তৈরি হয়েছিল, তা কেবল পণ্যের আদান-প্রদানই ঘটায়নি, বরং এই অঞ্চলে ইসলামের আলো ছড়িয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।

পরবর্তীতে বাহমানি সালতানাত এবং দাক্ষিণাত্যের অন্যান্য স্বাধীন সুলতানদের আমলে আরব থেকে বহু নামকরা আলেম, সুফি এবং দক্ষ সেনারা এখানে এসে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। ১৫৯১ সালে কুতুবশাহী রাজবংশের হাত ধরে ঐতিহাসিক হায়দরাবাদ শহর প্রতিষ্ঠা লাভ করলে এই ধারা আরও গতিশীল হয়।

নিজামদের সেনাবাহিনী ও হাদরামি বীরদের বীরত্বগাথা

অষ্টাদশ শতাব্দীতে হায়দরাবাদে আসাফ জাহি বা নিজাম রাজবংশের শাসনামলে আরবদের আগমন সবচেয়ে বড় রূপ নেয়। নিজামরা তাদের রাজ্যের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও রাজপ্রাসাদ পাহারার জন্য এমন এক বাহিনীর সন্ধান করছিলেন যারা হবে নির্ভীক ও চরম বিশ্বস্ত। এই সূত্র ধরে ইয়েমেনের শুষ্ক পাহাড়ি অঞ্চল 'হাদরামাউত', ওমান এবং হিজাজ থেকে হাজার হাজার লড়াকু আরবদের হায়দরাবাদ সেনাবাহিনীতে নিয়োগ দেওয়া হয়।

ইয়েমেনের হাদরামি আরবরাই মূলত এই ডায়াসপোরার মেরুদণ্ড। দাক্ষিণাত্যের জটিল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নিজামদের সবচেয়ে বিশ্বস্ত ও শক্তিশালী রক্ষাকবচ ছিল এই আরব বাহিনী। রাজপ্রাসাদের প্রধান পাহারাদার থেকে শুরু করে যেকোনো কঠিন সামরিক অভিযানে এই আরবরা তাদের সাহসিকতা ও শৃঙ্খলার প্রমাণ দিয়েছে।

জ্ঞানচর্চায় অবদান ও ইসলামের প্রচার-প্রসার

আরবরা কেবল অস্ত্র হাতেই লড়েনি, তারা হায়দরাবাদের জ্ঞান ও ধর্মীয় চেতনার জগতেও বিপ্লব ঘটিয়েছিল। ইয়েমেন ও হিজাজ থেকে আসা প্রখ্যাত ইসলামি স্কলার বা আলেম সমাজ হায়দরাবাদে অনেক চমৎকার মাদ্রাসা ও ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। তারা হাদিস, ফিকহ (ইসলামি আইন) এবং তাফসির শাস্ত্রের এক সমৃদ্ধ পরিবেশ তৈরি করেন, যা দক্ষিণ এশিয়া জুড়ে হায়দরাবাদকে অন্যতম প্রধান ইসলামি শিক্ষা কেন্দ্রে পরিণত করেছিল।

১৬১৭ সালে কুতুবশাহী রাজবংশের পঞ্চম শাসক সুলতান মুহাম্মদ কুলি কুতুব শাহ কর্তৃক নির্মিত ঐতিহাসিক মক্কা মসজিদ এই অঞ্চলের সমৃদ্ধ ইসলামি স্থাপত্যের অন্যতম সাক্ষী।

বারকাস: হায়দরাবাদের ভেতরেই যেন এক মিনি ইয়েমেন

হায়দরাবাদে আরব সংস্কৃতি সবচেয়ে জীবন্ত রূপ ধারণ করেছে যে এলাকাটিকে ঘিরে, তার নাম 'বারকাস' (Barkas)। ইংরেজি 'Barracks' (সেনা ছাউনি) শব্দ থেকে এই নামের উৎপত্তি। নিজামদের শাসনামলে আরব সৈন্যদের থাকার জন্য যে ছাউনি তৈরি করা হয়েছিল, সেটিই আজকের বারকাস।

আজও বারকাসে প্রবেশ করলে মনে হবে আপনি ভারতের কোনো শহর নয়, বরং ইয়েমেনের হাদরামাউতের কোনো জনপদে দাঁড়িয়ে আছেন। সেখানকার মানুষের পরনে ঐতিহ্যবাহী আরব পোশাক (লুঙ্গি বা ইজার), চেহারায় আরব বংশোদ্ভূত ছাপ এবং আতিথেয়তায় এখনো টিকে আছে মধ্যপ্রাচ্যের সংস্কৃতি।

বিশেষ করে হাদরামি রন্ধনশৈলী হায়দরাবাদের ঐতিহ্যবাহী বিরিয়ানির সমান্তরালে নিজের অবস্থান করে নিয়েছে। আরবদের ঐতিহ্যবাহী গোশতের পদ 'মান্দি' (Mandi) এবং 'কাবসা' (Kabsa) আজ পুরো হায়দরাবাদ তথা ভারতের ভোজনরসিকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়।

১৯৪৭ পরবর্তী সময় ও বর্তমান বাস্তবতা

১৯৪৭ সালে ভারতের স্বাধীনতার সময় হায়দরাবাদ নিজাম শাসিত একটি স্বাধীন রাজ্য হিসেবে টিকে থাকার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ১৯৪৮ সালে ভারত সরকারের বিতর্কিত সামরিক অভিযান 'অপারেশন পোলো' (Operation Polo)-র মাধ্যমে হায়দরাবাদকে ভারতের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এই অভিযানের পর নিজামদের রাজকীয় সেনাবাহিনী ভেঙে দেওয়া হয়, যা আরবদের জন্য এক বড় ধাক্কা ছিল। ঐতিহ্যগত সামরিক পেশা হারিয়ে অনেকে সংকটে পড়েছিলেন।

তবে সময়ের সাথে সাথে এই সাহসী জাতি নিজেদের পুনর্গঠিত করেছে। তারা ব্যবসা-বাণিজ্য, আধুনিক শিক্ষা ও মধ্যপ্রাচ্যের সাথে বাণিজ্যিক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার দিকে মন দেয়। বিশেষ করে গত কয়েক দশকে পারস্য উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর (সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার) অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি হায়দরাবাদি আরবদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেয়। দুই অঞ্চলের আত্মীয়তার সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে তারা আজ মধ্যপ্রাচ্য ও ভারতের মাঝে এক মজবুত অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সেতু হিসেবে কাজ করছে।


কওমী টাইমস

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ
সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ