কওমী মাদরাসা শিক্ষার সনদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির পূর্ণাঙ্গ ও কার্যকর বাস্তবায়নের দাবিতে আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশ এবং বেফাকুল মাদারিসিল আলাবিয়া বাংলাদেশের চেয়ারম্যান বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিস। গত ৬ আগস্ট সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সেক্রেটারি জেনারেলের যৌথ স্বাক্ষরিত এই স্মারকলিপি বোর্ড কার্যালয়ে পেশ করা হয়। কওমী গ্র্যাজুয়েটদের উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে বিদ্যমান বৈষম্য নিরসনে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
কওমী মাদরাসার দাওরায়ে হাদীসের সনদকে মাস্টার্স (ইসলামিক স্টাডিজ ও আরবি) সমমান প্রদান করে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া হলেও এর সুফল পুরোপুরি পাচ্ছেন না শিক্ষার্থীরা। কওমী শিক্ষার সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ও সমন্বয়কারী কর্তৃপক্ষ ‘আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশ’ এবং সবচেয়ে বড় শিক্ষাবোর্ড ‘বেফাকুল মাদারিসিল আলাবিয়া বাংলাদেশ’-এর সভাপতি বরাবর একটি আনুষ্ঠানিক স্মারকলিপি পেশ করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিস।
গত ৬ আগস্ট বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মদ রায়হান আলী এবং সেক্রেটারি জেনারেল জাকরিয়া হোসাইন জাকিরের যৌথ স্বাক্ষরে প্রণীত স্মারকলিপিটি আল-হাইআতুল উলয়া ও বেফাক-এর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জমা দেওয়া হয়।
স্মারকলিপিতে সংগঠনটি উল্লেখ করে যে, ঐতিহাসিক আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় কওমী সনদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি অর্জিত হলেও দীর্ঘ সময় পার হওয়ার পরও এর পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন আলোর মুখ দেখেনি। রাষ্ট্রীয় আইন ও নীতিগত ঘোষণার পরও মাঠপর্যায়ে এর যথাযথ প্রয়োগ না থাকায় হাজার হাজার কওমী শিক্ষার্থী ও আলেম মারাত্মক সংকট এবং বৈষম্যের মুখোমুখি হচ্ছেন।
বিশেষ করে উচ্চশিক্ষায় ভর্তির সুযোগ, সরকারি-বেসরকারি চাকরি প্রাপ্তি, ইসলামিক ফাউন্ডেশনসহ প্রশাসনিক নানা কার্যক্রমে কওমী সনদধারীদের এখনো নানা প্রশাসনিক জটিলতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। স্মারকলিপিতে জোর দিয়ে বলা হয়, কওমী সনদের স্বীকৃতির প্রকৃত সুফল সর্বস্তরে পৌঁছে দিতে সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয়, সরকারি দপ্তর ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এর পূর্ণাঙ্গ, কার্যকর ও আইনি বাস্তবায়ন দ্রুত নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।

সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬
কওমী মাদরাসা শিক্ষার সনদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির পূর্ণাঙ্গ ও কার্যকর বাস্তবায়নের দাবিতে আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশ এবং বেফাকুল মাদারিসিল আলাবিয়া বাংলাদেশের চেয়ারম্যান বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিস। গত ৬ আগস্ট সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সেক্রেটারি জেনারেলের যৌথ স্বাক্ষরিত এই স্মারকলিপি বোর্ড কার্যালয়ে পেশ করা হয়। কওমী গ্র্যাজুয়েটদের উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে বিদ্যমান বৈষম্য নিরসনে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
কওমী মাদরাসার দাওরায়ে হাদীসের সনদকে মাস্টার্স (ইসলামিক স্টাডিজ ও আরবি) সমমান প্রদান করে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া হলেও এর সুফল পুরোপুরি পাচ্ছেন না শিক্ষার্থীরা। কওমী শিক্ষার সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ও সমন্বয়কারী কর্তৃপক্ষ ‘আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশ’ এবং সবচেয়ে বড় শিক্ষাবোর্ড ‘বেফাকুল মাদারিসিল আলাবিয়া বাংলাদেশ’-এর সভাপতি বরাবর একটি আনুষ্ঠানিক স্মারকলিপি পেশ করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিস।
গত ৬ আগস্ট বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মদ রায়হান আলী এবং সেক্রেটারি জেনারেল জাকরিয়া হোসাইন জাকিরের যৌথ স্বাক্ষরে প্রণীত স্মারকলিপিটি আল-হাইআতুল উলয়া ও বেফাক-এর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জমা দেওয়া হয়।
স্মারকলিপিতে সংগঠনটি উল্লেখ করে যে, ঐতিহাসিক আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় কওমী সনদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি অর্জিত হলেও দীর্ঘ সময় পার হওয়ার পরও এর পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন আলোর মুখ দেখেনি। রাষ্ট্রীয় আইন ও নীতিগত ঘোষণার পরও মাঠপর্যায়ে এর যথাযথ প্রয়োগ না থাকায় হাজার হাজার কওমী শিক্ষার্থী ও আলেম মারাত্মক সংকট এবং বৈষম্যের মুখোমুখি হচ্ছেন।
বিশেষ করে উচ্চশিক্ষায় ভর্তির সুযোগ, সরকারি-বেসরকারি চাকরি প্রাপ্তি, ইসলামিক ফাউন্ডেশনসহ প্রশাসনিক নানা কার্যক্রমে কওমী সনদধারীদের এখনো নানা প্রশাসনিক জটিলতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। স্মারকলিপিতে জোর দিয়ে বলা হয়, কওমী সনদের স্বীকৃতির প্রকৃত সুফল সর্বস্তরে পৌঁছে দিতে সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয়, সরকারি দপ্তর ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এর পূর্ণাঙ্গ, কার্যকর ও আইনি বাস্তবায়ন দ্রুত নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।

আপনার মতামত লিখুন