গাজীপুরের টঙ্গীতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক পার হওয়ার সময় বেপরোয়া গতির কাভার্ডভ্যানের নিচে চাপা পড়ে ইয়াসিন আলী (১৫) নামের এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহত ইয়াসিন টঙ্গীর বিখ্যাত দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তা'মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসার নবম শ্রেণির ছাত্র ছিল। শনিবার সন্ধ্যায় মাগরিবের ঠিক পূর্বে মহাসড়কের গাজীপুরা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ করুণ দুর্ঘটনাটি ঘটে। আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হলে রাত সাড়ে ৮টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
বাংলাদেশের গাজীপুরস্থ টঙ্গীতে বেপরোয়া সড়ক পরিবহনের শিকার হয়ে প্রাণ হারালো এক উদীয়মান দ্বীনি শিক্ষার্থী। টঙ্গীর ঐতিহ্যবাহী তা'মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসার নবম শ্রেণির (সাধারণ 'ক' শাখা) ছাত্র ইয়াসিন আলী (১৫) শনিবার সন্ধ্যায় সড়ক দুর্ঘটনায় মর্মান্তিক শাহাদাত/মৃত্যুবরণ করে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার মাগরিবের নামাজের ঠিক আগ মুহূর্তে ইয়াসিন ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পূর্ব দিক থেকে পশ্চিম দিকে রাস্তা পার হওয়ার চেষ্টা করছিল। এ সময় দ্রুতগামী ও বেপরোয়া একটি কাভার্ডভ্যান তাকে সজোরে ধাক্কা দিয়ে পিষে দিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত ও রক্তাপ্লুত অবস্থায় স্থানীয় পথচারীরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে টঙ্গীর শহীদ আহসানউল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ৮টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
দুর্ঘটনার সাথে সাথেই চালক ঘাতক গাড়িটি ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। তবে পরবর্তীতে কলেজ গেট এলাকা থেকে কাভার্ডভ্যানটিকে আটক করতে সক্ষম হয় ট্রাফিক পুলিশ।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে টঙ্গী ট্রাফিক বিভাগের উপ-পরিদর্শক (এসআই) রফিক জানান, "সংবাদ পেয়েই পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে যায় এবং কলেজ গেট এলাকা থেকে ঘাতক কাভার্ডভ্যানটি জব্দ করে। পলাতক চালককে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।"
এদিকে এক সম্ভাবনাময় তরুণ দ্বীনি শিক্ষার্থীর এমন আকস্মিক ও মর্মান্তিক প্রয়াণে তা'মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসার শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সহপাঠীদের মাঝে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে কর্তৃপক্ষের অবহেলা ও বেপরোয়া যান চলাচলের বিরুদ্ধে সাধারণ শিক্ষার্থী ও স্থানীয় জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। নিহতের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে শোকসন্তপ্ত পরিবার যেন এই অপরিসীম কষ্ট সহ্য করতে পারে, সেই জন্য শিক্ষক ও সহপাঠীরা পরম করুণাময় আল্লাহর দরবারে দোয়া প্রার্থনা করেছেন।
বিষয় : টঙ্গী

রোববার, ০৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ আগস্ট ২০২৬
গাজীপুরের টঙ্গীতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক পার হওয়ার সময় বেপরোয়া গতির কাভার্ডভ্যানের নিচে চাপা পড়ে ইয়াসিন আলী (১৫) নামের এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহত ইয়াসিন টঙ্গীর বিখ্যাত দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তা'মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসার নবম শ্রেণির ছাত্র ছিল। শনিবার সন্ধ্যায় মাগরিবের ঠিক পূর্বে মহাসড়কের গাজীপুরা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ করুণ দুর্ঘটনাটি ঘটে। আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হলে রাত সাড়ে ৮টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
বাংলাদেশের গাজীপুরস্থ টঙ্গীতে বেপরোয়া সড়ক পরিবহনের শিকার হয়ে প্রাণ হারালো এক উদীয়মান দ্বীনি শিক্ষার্থী। টঙ্গীর ঐতিহ্যবাহী তা'মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসার নবম শ্রেণির (সাধারণ 'ক' শাখা) ছাত্র ইয়াসিন আলী (১৫) শনিবার সন্ধ্যায় সড়ক দুর্ঘটনায় মর্মান্তিক শাহাদাত/মৃত্যুবরণ করে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার মাগরিবের নামাজের ঠিক আগ মুহূর্তে ইয়াসিন ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পূর্ব দিক থেকে পশ্চিম দিকে রাস্তা পার হওয়ার চেষ্টা করছিল। এ সময় দ্রুতগামী ও বেপরোয়া একটি কাভার্ডভ্যান তাকে সজোরে ধাক্কা দিয়ে পিষে দিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত ও রক্তাপ্লুত অবস্থায় স্থানীয় পথচারীরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে টঙ্গীর শহীদ আহসানউল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ৮টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
দুর্ঘটনার সাথে সাথেই চালক ঘাতক গাড়িটি ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। তবে পরবর্তীতে কলেজ গেট এলাকা থেকে কাভার্ডভ্যানটিকে আটক করতে সক্ষম হয় ট্রাফিক পুলিশ।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে টঙ্গী ট্রাফিক বিভাগের উপ-পরিদর্শক (এসআই) রফিক জানান, "সংবাদ পেয়েই পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে যায় এবং কলেজ গেট এলাকা থেকে ঘাতক কাভার্ডভ্যানটি জব্দ করে। পলাতক চালককে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।"
এদিকে এক সম্ভাবনাময় তরুণ দ্বীনি শিক্ষার্থীর এমন আকস্মিক ও মর্মান্তিক প্রয়াণে তা'মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসার শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সহপাঠীদের মাঝে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে কর্তৃপক্ষের অবহেলা ও বেপরোয়া যান চলাচলের বিরুদ্ধে সাধারণ শিক্ষার্থী ও স্থানীয় জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। নিহতের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে শোকসন্তপ্ত পরিবার যেন এই অপরিসীম কষ্ট সহ্য করতে পারে, সেই জন্য শিক্ষক ও সহপাঠীরা পরম করুণাময় আল্লাহর দরবারে দোয়া প্রার্থনা করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন