শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬
শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬
কওমী টাইমস

একক কৃতিত্বের নামে বিভাজনের রাজনীতি বরদাশত করা হবে না; বৈষম্যহীন ও কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনে যুবসমাজকে নেতৃত্ব দেওয়ার আহ্বান।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সাফল্য রক্ষায় নতুন ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার আহ্বান ইসলামী যুব মজলিসের



জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সাফল্য রক্ষায় নতুন ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার আহ্বান ইসলামী যুব মজলিসের

২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অসাম্প্রদায়িক ও ফ্যাসিবাদবিরোধী চেতনাকে ধারণ করে নতুন বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছে ইসলামী যুব মজলিস। শুক্রবার (৭ আগস্ট) বিকেলে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল শহরের পানসী রেস্টুরেন্টের পার্টি সেন্টারে আয়োজিত এক প্রতিনিধি সম্মেলন ও যুব সমাবেশে বক্তারা স্পষ্টভাবে সতর্ক করেন যে, কোনো একক দল বা গোষ্ঠীর জুলাই অভ্যুত্থানের ‘ক্রেডিট’ নেওয়ার মাধ্যমে দেশে নতুন করে ফ্যাসিবাদ মাথাচড়া দেওয়া মেনে নেওয়া হবে না। যুব সমাজকে যোগ্য নেতৃত্বের মাধ্যমে দুর্নীতি, মাদক ও জুলুমমুক্ত একটি ইনসাফপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠায় এগিয়ে আসার জোর আহ্বান জানানো হয় এই আলোচনা সভা থেকে।

‘জুলাইয়ের বিপ্লবী চেতনাকে ধারণ করতে পারলে একটি বৈষম্যহীন ও ইনসাফভিত্তিক নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব’ বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী যুব মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি অ্যাডভোকেট তাওহীদুল ইসলাম তুহিন। তিনি বলেন, ২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান শুধু এক স্বৈরাচারী ও গণবিরোধী শাসনের পতন ঘটায়নি; বরং বাংলাদেশের রাষ্ট্রকাঠামো, রাজনৈতিক সংস্কৃতি এবং সামগ্রিক নাগরিক সচেতনতায় এক অভূতপূর্ব নতুন সমীকরণ তৈরি করেছে।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) বিকেলে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল শহরের পানসী রেস্টুরেন্টের পার্টি সেন্টারে ইসলামী যুব মজলিস শ্রীমঙ্গল উপজেলা ও পৌর শাখার যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ‘ইতিহাসের আয়নায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান: প্রত্যাশা-প্রাপ্তি’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও যুব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অ্যাডভোকেট তুহিন আরও বলেন, এই গণঅভ্যুত্থানের কৃতিত্ব কোনো একক ব্যক্তি, দল বা গোষ্ঠীর নয়; এর মূল কৃতিত্ব রাজপথের বীর ছাত্র-জনতাসহ সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের। জুলাইয়ের ক্রেডিট নিয়ে দেশের বিগত গণবিরোধী সরকারের মতো নতুন কোনো ফ্যাসিবাদের উত্থান যেন না ঘটে, সে বিষয়ে দেশবাসীকে সতর্ক থাকতে হবে। পাশাপাশি জুলুম ও বৈষম্যহীন কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনে যুবসমাজকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি অতীত শাসনের কঠোর সমালোচনা করে বলেন, আওয়ামী লীগ বিগত ১৬ বছরের স্বৈরাচারী শাসনামলে গোটা দেশকে সন্ত্রাসী, দুর্নীতিবাজ, তাবেদার ও অপরাধীদের স্বর্গরাজ্যে পরিণত করেছিল। দেশের মানুষের মৌলিক ও নাগরিক অধিকার হরণ করে একচেটিয়া শাসনের মাধ্যমে জনগণের মনে যে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার করেছিল, জুলাই আন্দোলনে তারই চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ ঘটেছিল। মুক্তিকামী সাধারণ মানুষ ও যুবসমাজ ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে ২৪-এর ৫ আগস্ট স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়ে ইতিহাসে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা করে। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, ফ্যাসিবাদ একবার বিদায় নিলে তা আর সহজে ফিরে আসতে পারে না। তবে এই অভ্যুত্থান তখনই পূর্ণাঙ্গ রূপ পাবে, যখন ‘জুলাই সনদ’ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশকে পুরোপুরি বৈষম্যমুক্ত করা সম্ভব হবে।

সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে খেলাফত মজলিস মৌলভীবাজার জেলা সভাপতি শায়খুল হাদিস মাওলানা ফখরুল ইসলাম বলেন, জুলাই চেতনার মূল বিষয়ই ছিল রাজনৈতিক সংস্কার ও প্রশাসনের দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করা। গণঅভ্যুত্থানের মূল ভিত্তি ছিল একক দখলদারত্ব ও তোষণমূলক ক্ষমতাচর্চার চিরতরে অবসান ঘটানো। দেশের সচেতন ছাত্র-জনতা স্বৈরাচারী সংস্কৃতির পুনরুত্থান কোনোভাবেই মেনে নেবে না। অথচ আক্ষেপের বিষয়, ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে যারা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করেছিল, তাদের কেউ কেউ আজ বিভাজনের রাজনীতি করছে। রাজপথে লড়াই করা তরুণ সমাজ কোনো ধরনের আধিপত্যবাদী আচরণ বরদাশত করবে না।

ইসলামী যুব মজলিস মৌলভীবাজার জেলা সভাপতি মোঃ এহসানুল হক স্মৃতিচারণ করে বলেন, আন্দোলনের দুই বছর পেরিয়ে গেলেও শহীদ আবু সাঈদ, মুগ্ধদের তাজা রক্ত এবং রাজপথে পুলিশের নির্মমতার বীভৎস স্মৃতি আজও আমাদের তাড়া করে ফেরে। তবে আন্দোলনের পর কাঙ্ক্ষিত রাষ্ট্র সংস্কার নিশ্চিত হয়নি, প্রত্যাশার জায়গায় রয়ে গেছে বিশাল ঘাটতি। এই পরিস্থিতিতে মাদক, দুর্নীতি ও বৈষম্যমুক্ত দেশ গড়তে যুবসমাজকেই মূল চালিকাশক্তির দায়িত্ব নিতে হবে।

সম্মেলনে খেলাফত মজলিস মক্কা শাখার সেক্রেটারি হাফিজ মামুনুর রশীদ মাক্কী বলেন, ইসলামের ইতিহাসের প্রথম দিন থেকেই দ্বীন ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার প্রতিটি সংগ্রামে যুবসমাজই সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছে। আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে শুরু করে গণতন্ত্র রক্ষার সকল আন্দোলনে যুবকরা আপোষহীন থেকেছে। সুতরাং ইনসাফভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণে ইসলামী ভাবধারায় উদ্বুদ্ধ যুব নেতৃত্ব তৈরি এখন সময়ের দাবি।

ইসলামী যুব মজলিস শ্রীমঙ্গল উপজেলা সভাপতি মুস্তাকিম আল মুনতাজ তালুকদারের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি মো. সাদিকুর রহমান ও পৌর সভাপতি মাহমুদুল হাসান নাঈমের যৌথ সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন খেলাফত মজলিস শ্রীমঙ্গল উপজেলা সভাপতি মাওলানা আয়েত আলী, সেক্রেটারি কাজী মাওলানা শিহাব উদ্দিন, জেলা যুব মজলিস সহসভাপতি এম খসরু, সরকারি গেজেটেড জুলাইযোদ্ধা আফজাল হোসাইন, বাবুল আহমেদসহ জেলা ও স্থানীয় পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। সমাবেশের বক্তারা একসূত্রে যুবদের ঐক্যের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদ ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে সদা সতর্ক থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

বিষয় : ইসলামী যুব মজলিস

আপনার মতামত লিখুন

কওমী টাইমস

শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬


জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সাফল্য রক্ষায় নতুন ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার আহ্বান ইসলামী যুব মজলিসের

প্রকাশের তারিখ : ০৮ আগস্ট ২০২৬

featured Image

২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অসাম্প্রদায়িক ও ফ্যাসিবাদবিরোধী চেতনাকে ধারণ করে নতুন বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছে ইসলামী যুব মজলিস। শুক্রবার (৭ আগস্ট) বিকেলে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল শহরের পানসী রেস্টুরেন্টের পার্টি সেন্টারে আয়োজিত এক প্রতিনিধি সম্মেলন ও যুব সমাবেশে বক্তারা স্পষ্টভাবে সতর্ক করেন যে, কোনো একক দল বা গোষ্ঠীর জুলাই অভ্যুত্থানের ‘ক্রেডিট’ নেওয়ার মাধ্যমে দেশে নতুন করে ফ্যাসিবাদ মাথাচড়া দেওয়া মেনে নেওয়া হবে না। যুব সমাজকে যোগ্য নেতৃত্বের মাধ্যমে দুর্নীতি, মাদক ও জুলুমমুক্ত একটি ইনসাফপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠায় এগিয়ে আসার জোর আহ্বান জানানো হয় এই আলোচনা সভা থেকে।

‘জুলাইয়ের বিপ্লবী চেতনাকে ধারণ করতে পারলে একটি বৈষম্যহীন ও ইনসাফভিত্তিক নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব’ বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী যুব মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি অ্যাডভোকেট তাওহীদুল ইসলাম তুহিন। তিনি বলেন, ২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান শুধু এক স্বৈরাচারী ও গণবিরোধী শাসনের পতন ঘটায়নি; বরং বাংলাদেশের রাষ্ট্রকাঠামো, রাজনৈতিক সংস্কৃতি এবং সামগ্রিক নাগরিক সচেতনতায় এক অভূতপূর্ব নতুন সমীকরণ তৈরি করেছে।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) বিকেলে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল শহরের পানসী রেস্টুরেন্টের পার্টি সেন্টারে ইসলামী যুব মজলিস শ্রীমঙ্গল উপজেলা ও পৌর শাখার যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ‘ইতিহাসের আয়নায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান: প্রত্যাশা-প্রাপ্তি’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও যুব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অ্যাডভোকেট তুহিন আরও বলেন, এই গণঅভ্যুত্থানের কৃতিত্ব কোনো একক ব্যক্তি, দল বা গোষ্ঠীর নয়; এর মূল কৃতিত্ব রাজপথের বীর ছাত্র-জনতাসহ সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের। জুলাইয়ের ক্রেডিট নিয়ে দেশের বিগত গণবিরোধী সরকারের মতো নতুন কোনো ফ্যাসিবাদের উত্থান যেন না ঘটে, সে বিষয়ে দেশবাসীকে সতর্ক থাকতে হবে। পাশাপাশি জুলুম ও বৈষম্যহীন কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনে যুবসমাজকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি অতীত শাসনের কঠোর সমালোচনা করে বলেন, আওয়ামী লীগ বিগত ১৬ বছরের স্বৈরাচারী শাসনামলে গোটা দেশকে সন্ত্রাসী, দুর্নীতিবাজ, তাবেদার ও অপরাধীদের স্বর্গরাজ্যে পরিণত করেছিল। দেশের মানুষের মৌলিক ও নাগরিক অধিকার হরণ করে একচেটিয়া শাসনের মাধ্যমে জনগণের মনে যে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার করেছিল, জুলাই আন্দোলনে তারই চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ ঘটেছিল। মুক্তিকামী সাধারণ মানুষ ও যুবসমাজ ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে ২৪-এর ৫ আগস্ট স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়ে ইতিহাসে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা করে। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, ফ্যাসিবাদ একবার বিদায় নিলে তা আর সহজে ফিরে আসতে পারে না। তবে এই অভ্যুত্থান তখনই পূর্ণাঙ্গ রূপ পাবে, যখন ‘জুলাই সনদ’ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশকে পুরোপুরি বৈষম্যমুক্ত করা সম্ভব হবে।

সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে খেলাফত মজলিস মৌলভীবাজার জেলা সভাপতি শায়খুল হাদিস মাওলানা ফখরুল ইসলাম বলেন, জুলাই চেতনার মূল বিষয়ই ছিল রাজনৈতিক সংস্কার ও প্রশাসনের দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করা। গণঅভ্যুত্থানের মূল ভিত্তি ছিল একক দখলদারত্ব ও তোষণমূলক ক্ষমতাচর্চার চিরতরে অবসান ঘটানো। দেশের সচেতন ছাত্র-জনতা স্বৈরাচারী সংস্কৃতির পুনরুত্থান কোনোভাবেই মেনে নেবে না। অথচ আক্ষেপের বিষয়, ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে যারা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করেছিল, তাদের কেউ কেউ আজ বিভাজনের রাজনীতি করছে। রাজপথে লড়াই করা তরুণ সমাজ কোনো ধরনের আধিপত্যবাদী আচরণ বরদাশত করবে না।

ইসলামী যুব মজলিস মৌলভীবাজার জেলা সভাপতি মোঃ এহসানুল হক স্মৃতিচারণ করে বলেন, আন্দোলনের দুই বছর পেরিয়ে গেলেও শহীদ আবু সাঈদ, মুগ্ধদের তাজা রক্ত এবং রাজপথে পুলিশের নির্মমতার বীভৎস স্মৃতি আজও আমাদের তাড়া করে ফেরে। তবে আন্দোলনের পর কাঙ্ক্ষিত রাষ্ট্র সংস্কার নিশ্চিত হয়নি, প্রত্যাশার জায়গায় রয়ে গেছে বিশাল ঘাটতি। এই পরিস্থিতিতে মাদক, দুর্নীতি ও বৈষম্যমুক্ত দেশ গড়তে যুবসমাজকেই মূল চালিকাশক্তির দায়িত্ব নিতে হবে।

সম্মেলনে খেলাফত মজলিস মক্কা শাখার সেক্রেটারি হাফিজ মামুনুর রশীদ মাক্কী বলেন, ইসলামের ইতিহাসের প্রথম দিন থেকেই দ্বীন ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার প্রতিটি সংগ্রামে যুবসমাজই সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছে। আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে শুরু করে গণতন্ত্র রক্ষার সকল আন্দোলনে যুবকরা আপোষহীন থেকেছে। সুতরাং ইনসাফভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণে ইসলামী ভাবধারায় উদ্বুদ্ধ যুব নেতৃত্ব তৈরি এখন সময়ের দাবি।

ইসলামী যুব মজলিস শ্রীমঙ্গল উপজেলা সভাপতি মুস্তাকিম আল মুনতাজ তালুকদারের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি মো. সাদিকুর রহমান ও পৌর সভাপতি মাহমুদুল হাসান নাঈমের যৌথ সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন খেলাফত মজলিস শ্রীমঙ্গল উপজেলা সভাপতি মাওলানা আয়েত আলী, সেক্রেটারি কাজী মাওলানা শিহাব উদ্দিন, জেলা যুব মজলিস সহসভাপতি এম খসরু, সরকারি গেজেটেড জুলাইযোদ্ধা আফজাল হোসাইন, বাবুল আহমেদসহ জেলা ও স্থানীয় পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। সমাবেশের বক্তারা একসূত্রে যুবদের ঐক্যের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদ ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে সদা সতর্ক থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।


কওমী টাইমস

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ
সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ