জার্মানির বাসিন্দা মার্কো সিভতকুসিচ দীর্ঘ ২৬ বছর আগে তুর্কিয়ের নেভশেহির এলাকার একটি পরিবারের মেয়েকে বিয়ে করেন। সম্প্রতি স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে নেভশেহিরে স্বজনদের সাথে দেখা করতে আসেন তিনি। সফরকালে পরিবারের ঘনিষ্ঠ আত্মীয় ও গবেষক-লেখক হুসরেভ ওনদেগেলেন মার্কোকে ইসলামের সৌন্দর্যের প্রতি আহ্বান জানান এবং তাকে একটি জার্মান ভাষার অনুদিত পবিত্র কোরআন উপহার দেন।
উপহার হিসেবে প্রাপ্ত কোরআন শরিফটি মনোযোগ দিয়ে অধ্যয়ন করতে শুরু করেন মার্কো। গভীরভাবে ইসলামী জীবনব্যবস্থা ও এর মৌলিক দর্শন নিয়ে গবেষণার পর তিনি উপলব্ধি করেন যে, এটিই মুক্তির সঠিক পথ। নিজ ইচ্ছায় ইসলাম গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়ে তিনি কর্মস্থল থেকে বার্ষিক ছুটি নেন এবং স্ত্রী-সন্তানদের সাথে নিয়ে আবারও তুর্কিয়ের নেভশেহিরে আসেন।
নেভশেহির জেলা মুফতি কার্যালয়ে মার্কোর জন্য একটি বিশেষ ধর্মান্তর (ইহতিদা) অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে আলিবে মসজিদের অভিজ্ঞ ইমাম ও খতিব বিলাল ওজকায়া পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত করেন। এরপর নেভশেহিরের জেলা মুফতি কাজিম গুজেল মার্কোকে ইসলাম গ্রহণের শুভ সিদ্ধান্তে স্বাগত জানান এবং ইসলামের মৌলিক বিশ্বাসের পরিচয় তুলে ধরেন। কালিমায়ে শাহাদাতের অর্থ বিস্তারিত বুঝিয়ে দেওয়ার পর মুফতি কাজিম গুজেল মার্কোকে শাহাদাত পাঠ করান।
শাহাদাত পাঠ শেষে মার্কো আনুষ্ঠানিকভাবে ইসলাম গ্রহণ করে নিজের নাম পরিবর্তন করে রাখেন 'মুহাম্মদ'। পরবর্তীতে তাকে একটি আনুষ্ঠানিক ধর্মান্তর সনদ (ইহতিদা সার্টিফিকেট) প্রদান করা হয়। তাকবির ও সালাওয়াত ধ্বনিতে পুরো মুফতি কার্যালয় মুখরিত হয়ে ওঠে। আবেগঘন এই অনুষ্ঠানে মুহাম্মদের (মার্কো) স্ত্রী, সন্তান, পরিবারের সদস্য এবং মুফতি কার্যালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটির সমাপ্তি ঘটে।

শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ আগস্ট ২০২৬
জার্মানির বাসিন্দা মার্কো সিভতকুসিচ দীর্ঘ ২৬ বছর আগে তুর্কিয়ের নেভশেহির এলাকার একটি পরিবারের মেয়েকে বিয়ে করেন। সম্প্রতি স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে নেভশেহিরে স্বজনদের সাথে দেখা করতে আসেন তিনি। সফরকালে পরিবারের ঘনিষ্ঠ আত্মীয় ও গবেষক-লেখক হুসরেভ ওনদেগেলেন মার্কোকে ইসলামের সৌন্দর্যের প্রতি আহ্বান জানান এবং তাকে একটি জার্মান ভাষার অনুদিত পবিত্র কোরআন উপহার দেন।
উপহার হিসেবে প্রাপ্ত কোরআন শরিফটি মনোযোগ দিয়ে অধ্যয়ন করতে শুরু করেন মার্কো। গভীরভাবে ইসলামী জীবনব্যবস্থা ও এর মৌলিক দর্শন নিয়ে গবেষণার পর তিনি উপলব্ধি করেন যে, এটিই মুক্তির সঠিক পথ। নিজ ইচ্ছায় ইসলাম গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়ে তিনি কর্মস্থল থেকে বার্ষিক ছুটি নেন এবং স্ত্রী-সন্তানদের সাথে নিয়ে আবারও তুর্কিয়ের নেভশেহিরে আসেন।
নেভশেহির জেলা মুফতি কার্যালয়ে মার্কোর জন্য একটি বিশেষ ধর্মান্তর (ইহতিদা) অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে আলিবে মসজিদের অভিজ্ঞ ইমাম ও খতিব বিলাল ওজকায়া পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত করেন। এরপর নেভশেহিরের জেলা মুফতি কাজিম গুজেল মার্কোকে ইসলাম গ্রহণের শুভ সিদ্ধান্তে স্বাগত জানান এবং ইসলামের মৌলিক বিশ্বাসের পরিচয় তুলে ধরেন। কালিমায়ে শাহাদাতের অর্থ বিস্তারিত বুঝিয়ে দেওয়ার পর মুফতি কাজিম গুজেল মার্কোকে শাহাদাত পাঠ করান।
শাহাদাত পাঠ শেষে মার্কো আনুষ্ঠানিকভাবে ইসলাম গ্রহণ করে নিজের নাম পরিবর্তন করে রাখেন 'মুহাম্মদ'। পরবর্তীতে তাকে একটি আনুষ্ঠানিক ধর্মান্তর সনদ (ইহতিদা সার্টিফিকেট) প্রদান করা হয়। তাকবির ও সালাওয়াত ধ্বনিতে পুরো মুফতি কার্যালয় মুখরিত হয়ে ওঠে। আবেগঘন এই অনুষ্ঠানে মুহাম্মদের (মার্কো) স্ত্রী, সন্তান, পরিবারের সদস্য এবং মুফতি কার্যালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটির সমাপ্তি ঘটে।

আপনার মতামত লিখুন