নতুন নিয়োগ ও আলেম সমাজের প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শামীম কায়সার বলেন, আলেম-উলামাদের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনার মাধ্যমেই যেকোনো সংশয় নিরসন সম্ভব। দায়িত্ব নেওয়ার পূর্বেই বিভিন্ন মাদরাসা ও উলামায়ে কেরামের সঙ্গে সাক্ষাতের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, 'আমি গতকালও জামিয়া মাদানিয়া বারিধারা মাদরাসায় গিয়েছি। জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ও হেফাজতে ইসলামের উলামায়ে কেরামের সঙ্গে কথা হয়েছে। নির্বাচনে মানুষ কোনো একটি দলকে শতভাগ ভোট দেয় না, পছন্দ-অপছন্দের বিষয় থাকতে পারে। ঠিক তেমনি একটি নিয়োগের ক্ষেত্রেও শতভাগ মানুষ পছন্দ করবে—এমনটিও নয়।'
উলামা-মাশায়েখদের সঙ্গে সম্পর্ক বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'মন্ত্রণালয়-সংশ্লিষ্ট কাজে যোগাযোগের পরিধি যত বাড়বে, ভুল বোঝাবুঝি থাকলে সেগুলো ইনশাআল্লাহ নিরসন হবে। আলেমদের কাছে আমার বক্তব্য পরিষ্কার করেছি এবং তারা আমাকে স্বাগত জানিয়েছেন। জ্ঞান কখনো নিজে জিয়ারত করে আসে না, তার কাছে যেতে হয়। বাংলাদেশের প্রথিতযশা ও বিভিন্ন মতের ওলামায়ে কেরাম যারা আছেন, আমি তাদের সবার কাছে যাব।'
তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের কাজ কেবল ইসলাম ধর্মের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বাংলাদেশের অসাম্প্রদায়িক ও উদার মূল্যবোধ তুলে ধরে লিংকন বলেন, 'অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের নেতৃবৃন্দ ও ধর্মগুরুদের কাছে যাওয়াটাও আমার দায়িত্ব। বিভিন্ন মতের সহাবস্থান নিয়েই ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় কাজ করে। সবার আগে বাংলাদেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ।'
মন্ত্রণালয়ের গুরুত্ব সম্পর্কে তিনি বলেন, সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এর বাজেট বা আকার বড় না হলেও এর সামাজিক প্রভাব অনেক বেশি। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ধর্মপ্রাণ জনগণের অনুভূতিকে শ্রদ্ধা জানিয়ে এই মন্ত্রণালয়ের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেছিলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, মন্ত্রণালয়ের মূল মিশন ও ভিশন হলো—ধর্মীয় মূল্যবোধ ও নৈতিকতা বিকাশের মাধ্যমে উদার, অসাম্প্রদায়িক ও সর্বজনীন সাম্যনির্ভর সমাজ প্রতিষ্ঠা করা।
বিষয় : ধর্ম প্রতিমন্ত্রী

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬
নতুন নিয়োগ ও আলেম সমাজের প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শামীম কায়সার বলেন, আলেম-উলামাদের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনার মাধ্যমেই যেকোনো সংশয় নিরসন সম্ভব। দায়িত্ব নেওয়ার পূর্বেই বিভিন্ন মাদরাসা ও উলামায়ে কেরামের সঙ্গে সাক্ষাতের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, 'আমি গতকালও জামিয়া মাদানিয়া বারিধারা মাদরাসায় গিয়েছি। জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ও হেফাজতে ইসলামের উলামায়ে কেরামের সঙ্গে কথা হয়েছে। নির্বাচনে মানুষ কোনো একটি দলকে শতভাগ ভোট দেয় না, পছন্দ-অপছন্দের বিষয় থাকতে পারে। ঠিক তেমনি একটি নিয়োগের ক্ষেত্রেও শতভাগ মানুষ পছন্দ করবে—এমনটিও নয়।'
উলামা-মাশায়েখদের সঙ্গে সম্পর্ক বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'মন্ত্রণালয়-সংশ্লিষ্ট কাজে যোগাযোগের পরিধি যত বাড়বে, ভুল বোঝাবুঝি থাকলে সেগুলো ইনশাআল্লাহ নিরসন হবে। আলেমদের কাছে আমার বক্তব্য পরিষ্কার করেছি এবং তারা আমাকে স্বাগত জানিয়েছেন। জ্ঞান কখনো নিজে জিয়ারত করে আসে না, তার কাছে যেতে হয়। বাংলাদেশের প্রথিতযশা ও বিভিন্ন মতের ওলামায়ে কেরাম যারা আছেন, আমি তাদের সবার কাছে যাব।'
তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের কাজ কেবল ইসলাম ধর্মের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বাংলাদেশের অসাম্প্রদায়িক ও উদার মূল্যবোধ তুলে ধরে লিংকন বলেন, 'অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের নেতৃবৃন্দ ও ধর্মগুরুদের কাছে যাওয়াটাও আমার দায়িত্ব। বিভিন্ন মতের সহাবস্থান নিয়েই ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় কাজ করে। সবার আগে বাংলাদেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ।'
মন্ত্রণালয়ের গুরুত্ব সম্পর্কে তিনি বলেন, সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এর বাজেট বা আকার বড় না হলেও এর সামাজিক প্রভাব অনেক বেশি। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ধর্মপ্রাণ জনগণের অনুভূতিকে শ্রদ্ধা জানিয়ে এই মন্ত্রণালয়ের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেছিলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, মন্ত্রণালয়ের মূল মিশন ও ভিশন হলো—ধর্মীয় মূল্যবোধ ও নৈতিকতা বিকাশের মাধ্যমে উদার, অসাম্প্রদায়িক ও সর্বজনীন সাম্যনির্ভর সমাজ প্রতিষ্ঠা করা।

আপনার মতামত লিখুন