বাংলাদেশের ২৩তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক নেতৃত্বের সূচনালগ্নে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে উষ্ণ শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। ঢাকায় অবস্থিত রাশিয়া দূতাবাসের কূটনৈতিক সূত্রের বরাতে প্রাপ্ত এই অভিনন্দন বার্তায় পুতিন উল্লেখ করেন যে, রাশিয়া ও বাংলাদেশের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যে রোপিত এবং তা সবসময়ই পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহযোগিতার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
রুশ প্রেসিডেন্ট নতুন প্রেসিডেন্টের ভবিষ্যতের সমস্ত প্রচেষ্টায় সাফল্য কামনা করার পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যকার বাণিজ্য, জ্বালানি, কৃষি ও অবকাঠামোগত খাতের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সম্প্রতি বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ ও প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের মাধ্যমে যে গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতা অর্জিত হয়েছে, আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা তার ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব নিয়ে আলোকপাত করছেন।
উল্লেখ্য, রাশিয়ার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্পসহ বাংলাদেশের একাধিক মেগা প্রকল্পে প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব রয়েছে। আন্তর্জাতিক মঞ্চে মুসলিম বিশ্ব ও উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির গুরুত্ব যখন বৃদ্ধি পাচ্ছে, তখন বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রপ্রধানকে বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী নেতৃত্বের এই বার্তা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে বিবেচনা করা হচ্ছে।

শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৬
বাংলাদেশের ২৩তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক নেতৃত্বের সূচনালগ্নে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে উষ্ণ শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। ঢাকায় অবস্থিত রাশিয়া দূতাবাসের কূটনৈতিক সূত্রের বরাতে প্রাপ্ত এই অভিনন্দন বার্তায় পুতিন উল্লেখ করেন যে, রাশিয়া ও বাংলাদেশের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যে রোপিত এবং তা সবসময়ই পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহযোগিতার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
রুশ প্রেসিডেন্ট নতুন প্রেসিডেন্টের ভবিষ্যতের সমস্ত প্রচেষ্টায় সাফল্য কামনা করার পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যকার বাণিজ্য, জ্বালানি, কৃষি ও অবকাঠামোগত খাতের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সম্প্রতি বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ ও প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের মাধ্যমে যে গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতা অর্জিত হয়েছে, আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা তার ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব নিয়ে আলোকপাত করছেন।
উল্লেখ্য, রাশিয়ার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্পসহ বাংলাদেশের একাধিক মেগা প্রকল্পে প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব রয়েছে। আন্তর্জাতিক মঞ্চে মুসলিম বিশ্ব ও উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির গুরুত্ব যখন বৃদ্ধি পাচ্ছে, তখন বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রপ্রধানকে বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী নেতৃত্বের এই বার্তা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে বিবেচনা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন