সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
কওমী টাইমস

মূল সনদ ও নম্বরপত্র আরবী, বাংলা ও ইংরেজি—তিন ভাষায় প্রস্তুত করার লক্ষ্যে আগামী ৫ বছরের উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের জাতীয় পরিচয়পত্র ও জন্মনিবন্ধনসহ প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদানের আহ্বান

৫ বছরের দাওরায়ে হাদীস ফারেগীনদের তথ্য চেয়েছে হাইআতুল উলয়া



৫ বছরের দাওরায়ে হাদীস ফারেগীনদের তথ্য চেয়েছে হাইআতুল উলয়া

কওমি মাদরাসার সর্বোচ্চ স্তর দাওরায়ে হাদীসের (তাকমিল) মূল সনদ ও নম্বরপত্র আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে আরবী, বাংলা ও ইংরেজি—তিন ভাষায় প্রদানের লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য আহ্বান করেছে আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ। ১৪৩৮ হিজরী (২০১৭ খ্রি.) থেকে ১৪৪২ হিজরী (২০২১ খ্রি.) পর্যন্ত বিগত ৫ বছরে উত্তীর্ণ ফারেগীনদের (স্নাতক) নাম, পিতা-মাতার নাম এবং জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধন নম্বর আগামীতে আন্তর্জাতিক কর্মক্ষেত্রে উপস্থাপনের সুবিধার্থে এই ডেটাবেজ তৈরি করা হচ্ছে। হাইআতুল উলয়ার চেয়ারম্যান মহোদয়ের আদেশক্রমে অফিস ব্যবস্থাপক মু. অছিউর রহমান এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনা নিশ্চিত করেছেন।

বাংলাদেশের কওমি মাদরাসা শিক্ষার সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা "আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ"-এর অধীনে অনুষ্ঠিত দাওরায়ে হাদীস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীদের মূল সনদ ও নম্বরপত্র প্রদানের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন উচ্চতর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং কর্মক্ষেত্রে কওমি সনদের গ্রহণযোগ্যতা ও উপস্থাপনের যোগ্যতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এবার মূল সনদ আরবী ও ইংরেজি ভাষায় এবং মূল নম্বরপত্র আরবী, বাংলা ও ইংরেজি—এই তিন ভাষায় প্রস্তুত করার এক যুগান্তকারী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নতুন এই আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সনদ ও নম্বরপত্রে প্রতিটি শিক্ষার্থীর নিজস্ব নাম, পিতার নাম ও মাতার নাম তিন ভাষায় (আরবী, বাংলা ও ইংরেজি) নির্ভুলভাবে লিপিবদ্ধ থাকবে। এর পাশাপাশি সনদের সত্যতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জন্মতারিখ এবং জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) নম্বর অথবা অনলাইন জন্মনিবন্ধন (BRN) নম্বর যুক্ত করা হবে।

হাইআতুল উলয়া কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিগত ১৪৩৮ হিজরী/২০১৭ ঈসাব্দ থেকে ১৪৪২ হিজরী/২০২১ ঈসাব্দ পর্যন্ত এই ৫ বছরের উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীদের নাম ও পিতা-মাতার নাম তিন ভাষায় প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সংগ্রহ করা হয়নি। একই সাথে তৎকালীন সময়ে শিক্ষার্থীদের জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর বা জন্মনিবন্ধন নম্বরও তথ্যভাণ্ডারে জমা ছিল না। ফলে এই ৫ শিক্ষাবর্ষের ফারেগীনদের মূল সনদ ও নম্বরপত্র তৈরিতে জটিলতা তৈরি হয়েছে।

এই ঘাটতি পূরণে এবং দ্রুততম সময়ে আন্তর্জাতিক মানের সনদ সরবরাহ করতে উক্ত ৫ বছরের সকল উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীকে অনলাইনের মাধ্যমে জরুরি তথ্য প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের হাইআতুল উলয়ার অফিসিয়াল ডাটা ম্যানেজমেন্ট লিংকে (https://hems-admin.alhaiatululya.org/public/certificate/application/MAIN)প্রবেশ করে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা অনুসরণ করে নিজেদের প্রয়োজনীয় তথ্য সাবমিট করতে বলা হয়েছে। কওমি সনদের সরকারি স্বীকৃতিকে বৈশ্বিক ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে এই তথ্য হালনাগাদ প্রক্রিয়া অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

বিষয় : আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ

আপনার মতামত লিখুন

কওমী টাইমস

সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬


৫ বছরের দাওরায়ে হাদীস ফারেগীনদের তথ্য চেয়েছে হাইআতুল উলয়া

প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুন ২০২৬

featured Image

কওমি মাদরাসার সর্বোচ্চ স্তর দাওরায়ে হাদীসের (তাকমিল) মূল সনদ ও নম্বরপত্র আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে আরবী, বাংলা ও ইংরেজি—তিন ভাষায় প্রদানের লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য আহ্বান করেছে আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ। ১৪৩৮ হিজরী (২০১৭ খ্রি.) থেকে ১৪৪২ হিজরী (২০২১ খ্রি.) পর্যন্ত বিগত ৫ বছরে উত্তীর্ণ ফারেগীনদের (স্নাতক) নাম, পিতা-মাতার নাম এবং জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধন নম্বর আগামীতে আন্তর্জাতিক কর্মক্ষেত্রে উপস্থাপনের সুবিধার্থে এই ডেটাবেজ তৈরি করা হচ্ছে। হাইআতুল উলয়ার চেয়ারম্যান মহোদয়ের আদেশক্রমে অফিস ব্যবস্থাপক মু. অছিউর রহমান এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনা নিশ্চিত করেছেন।

বাংলাদেশের কওমি মাদরাসা শিক্ষার সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা "আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ"-এর অধীনে অনুষ্ঠিত দাওরায়ে হাদীস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীদের মূল সনদ ও নম্বরপত্র প্রদানের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন উচ্চতর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং কর্মক্ষেত্রে কওমি সনদের গ্রহণযোগ্যতা ও উপস্থাপনের যোগ্যতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এবার মূল সনদ আরবী ও ইংরেজি ভাষায় এবং মূল নম্বরপত্র আরবী, বাংলা ও ইংরেজি—এই তিন ভাষায় প্রস্তুত করার এক যুগান্তকারী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নতুন এই আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সনদ ও নম্বরপত্রে প্রতিটি শিক্ষার্থীর নিজস্ব নাম, পিতার নাম ও মাতার নাম তিন ভাষায় (আরবী, বাংলা ও ইংরেজি) নির্ভুলভাবে লিপিবদ্ধ থাকবে। এর পাশাপাশি সনদের সত্যতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জন্মতারিখ এবং জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) নম্বর অথবা অনলাইন জন্মনিবন্ধন (BRN) নম্বর যুক্ত করা হবে।

হাইআতুল উলয়া কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিগত ১৪৩৮ হিজরী/২০১৭ ঈসাব্দ থেকে ১৪৪২ হিজরী/২০২১ ঈসাব্দ পর্যন্ত এই ৫ বছরের উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীদের নাম ও পিতা-মাতার নাম তিন ভাষায় প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সংগ্রহ করা হয়নি। একই সাথে তৎকালীন সময়ে শিক্ষার্থীদের জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর বা জন্মনিবন্ধন নম্বরও তথ্যভাণ্ডারে জমা ছিল না। ফলে এই ৫ শিক্ষাবর্ষের ফারেগীনদের মূল সনদ ও নম্বরপত্র তৈরিতে জটিলতা তৈরি হয়েছে।

এই ঘাটতি পূরণে এবং দ্রুততম সময়ে আন্তর্জাতিক মানের সনদ সরবরাহ করতে উক্ত ৫ বছরের সকল উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীকে অনলাইনের মাধ্যমে জরুরি তথ্য প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের হাইআতুল উলয়ার অফিসিয়াল ডাটা ম্যানেজমেন্ট লিংকে (https://hems-admin.alhaiatululya.org/public/certificate/application/MAIN)প্রবেশ করে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা অনুসরণ করে নিজেদের প্রয়োজনীয় তথ্য সাবমিট করতে বলা হয়েছে। কওমি সনদের সরকারি স্বীকৃতিকে বৈশ্বিক ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে এই তথ্য হালনাগাদ প্রক্রিয়া অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।


কওমী টাইমস

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ
সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ