মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
কওমী টাইমস

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের দ্বৈত নীতি: বিশ্বজুড়ে কেন উঠছে জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহ পুনর্গঠনের দাবি



আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের দ্বৈত নীতি: বিশ্বজুড়ে কেন উঠছে জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহ পুনর্গঠনের দাবি

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গাজায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির উদ্যোগ নেওয়ার পর থেকেই আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) প্রধান কৌঁসুলি করিম খানের ওপর নেমে এসেছে পশ্চিমা চাপ। সাম্প্রতিক সময়ে এক গোপন বৈঠকে আইসিসির ১২৫টি সদস্য দেশের মধ্যে ৮২টি দেশের ভোটে করিম খানকে সরিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়ার পেছনে আমেরিকা ও ইসরায়েলের নজিরবিহীন চাপ কাজ করেছে বলে বিশ্লেষকদের মতে উঠে এসেছে। আন্তর্জাতিক আইনি নীতি ও নিরপেক্ষতাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে পশ্চিমাদের এই দ্বৈত নীতি বিশ্বজুড়ে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর মূল ভিত্তি এবং তাদের নিরপেক্ষতা নিয়ে তীব্র প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

আইসিসির ইতিহাসে যেখানে এতদিন ধরে কেবল অনগ্রসর বা পশ্চিমা-বিরোধী দেশের নেতাদের বিচার করার প্রবণতা দেখা গেছে, সেখানে করিম খানের এই পদক্ষেপ সংস্থাটির ইতিহাসে এক অভূতপূর্ব নিরপেক্ষতা প্রদর্শনের সুযোগ তৈরি করেছিল। কিন্তু ইসরায়েলি মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার শাস্তি হিসেবে তার ওপর যে মনস্তাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক আক্রমণ চালানো হয়েছে, তা আন্তর্জাতিক বিচার ব্যবস্থার নগ্ন রূপ উন্মোচিত করেছে। মার্কিন কংগ্রেসের বেশ কয়েকজন সদস্যও ইসরায়েলের স্বার্থে আন্তর্জাতিক আদালতকে ব্যবহারের এই "প্রহসন" বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন। এই প্রেক্ষাপটে বিশ্লেষকরা বলছেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতসহ জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থাকে পশ্চিমাদের প্রভাবমুক্ত করে বিশ্বের বাস্তব ভূ-রাজনৈতিক শক্তির ভারসাম্যের ভিত্তিতে নতুনভাবে পুনর্গঠন করার সময় এসেছে।

বিষয় : আইসিসি

আপনার মতামত লিখুন

কওমী টাইমস

মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬


আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের দ্বৈত নীতি: বিশ্বজুড়ে কেন উঠছে জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহ পুনর্গঠনের দাবি

প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬

featured Image

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গাজায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির উদ্যোগ নেওয়ার পর থেকেই আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) প্রধান কৌঁসুলি করিম খানের ওপর নেমে এসেছে পশ্চিমা চাপ। সাম্প্রতিক সময়ে এক গোপন বৈঠকে আইসিসির ১২৫টি সদস্য দেশের মধ্যে ৮২টি দেশের ভোটে করিম খানকে সরিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়ার পেছনে আমেরিকা ও ইসরায়েলের নজিরবিহীন চাপ কাজ করেছে বলে বিশ্লেষকদের মতে উঠে এসেছে। আন্তর্জাতিক আইনি নীতি ও নিরপেক্ষতাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে পশ্চিমাদের এই দ্বৈত নীতি বিশ্বজুড়ে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর মূল ভিত্তি এবং তাদের নিরপেক্ষতা নিয়ে তীব্র প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

আইসিসির ইতিহাসে যেখানে এতদিন ধরে কেবল অনগ্রসর বা পশ্চিমা-বিরোধী দেশের নেতাদের বিচার করার প্রবণতা দেখা গেছে, সেখানে করিম খানের এই পদক্ষেপ সংস্থাটির ইতিহাসে এক অভূতপূর্ব নিরপেক্ষতা প্রদর্শনের সুযোগ তৈরি করেছিল। কিন্তু ইসরায়েলি মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার শাস্তি হিসেবে তার ওপর যে মনস্তাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক আক্রমণ চালানো হয়েছে, তা আন্তর্জাতিক বিচার ব্যবস্থার নগ্ন রূপ উন্মোচিত করেছে। মার্কিন কংগ্রেসের বেশ কয়েকজন সদস্যও ইসরায়েলের স্বার্থে আন্তর্জাতিক আদালতকে ব্যবহারের এই "প্রহসন" বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন। এই প্রেক্ষাপটে বিশ্লেষকরা বলছেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতসহ জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থাকে পশ্চিমাদের প্রভাবমুক্ত করে বিশ্বের বাস্তব ভূ-রাজনৈতিক শক্তির ভারসাম্যের ভিত্তিতে নতুনভাবে পুনর্গঠন করার সময় এসেছে।


কওমী টাইমস

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ
সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ