বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
কওমী টাইমস

ভারতের বিহারে নিজ কর্মস্থল মসজিদের ভেতরে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে ইমাম মোহাম্মদ শফিককে। এখনো অধরা ঘাতক, হত্যাকাণ্ডের কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা।

বিহারের গোপালগঞ্জে মসজিদের ভেতরে ইমামকে কুপিয়ে হত্যা, তদন্তে পুলিশ



বিহারের গোপালগঞ্জে মসজিদের ভেতরে ইমামকে কুপিয়ে হত্যা, তদন্তে পুলিশ

ভারতের বিহার রাজ্যের গোপালগঞ্জ জেলায় রাতের আঁধারে মসজিদের ভেতরেই মোহাম্মদ শফিক নামে এক ইমামকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে অজ্ঞাতপরিচয় দুর্বৃত্তরা। সোমবার গভীর রাতে উচকাগাঁও থানা এলাকার আরনা গ্রামের একটি মসজিদে এই নৃশংস ঘটনা ঘটে। দীর্ঘদিন ধরে ওই মসজিদে ইমামতি করে আসা মোহাম্মদ শফিকের এই হত্যাকাণ্ডের পর এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করলেও এখন পর্যন্ত কোনো ঘাতককে গ্রেপ্তার বা হত্যার কারণ উন্মোচন করতে পারেনি।

ভারতে মুসলিমদের ধর্মীয় উপাসনালয়ে নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ার মধ্যেই এবার বিহারের গোপালগঞ্জে মসজিদের ভেতর এক ইমামকে কুপিয়ে হত্যা করার খবর পাওয়া গেছে।

নিহত ইমামের নাম মোহাম্মদ শফিক। তিনি ভোরের থানা এলাকার সিসাই গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন এবং দীর্ঘদিন ধরে আরনা গ্রামের স্থানীয় মসজিদে ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী, সোমবার গভীর রাতে মসজিদের ভেতরে অবস্থানকালে দুর্বৃত্তরা তার ওপর হামলা চালায়। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর জখম হয়ে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। ঠিক কী উদ্দেশ্যে এবং কারা এই হামলা চালিয়েছে, তা এখনো পরিষ্কার নয়।

ঘটনার খবর পেয়ে হাথুয়া সাব-ডিভিশনাল পুলিশ অফিসার (এসডিপিও) আনন্দ মোহন গুপ্তের নেতৃত্বে একটি বিশাল পুলিশ দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং আলামত সংগ্রহ শুরু করে। পরবর্তীতে ঘটনার নিখুঁত তদন্ত ও সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহের জন্য ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ দল (FSL)-কে ঘটনাস্থলে ডাকা হয়।

পুলিশ স্থানীয় বাসিন্দা এবং নিহতের পরিচিতদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে। ঘটনার রাতে মসজিদের আশেপাশে কোনো সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে দেখা গিয়েছিল কি না, তা জানার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি, নিহত ইমামের সঙ্গে পূর্বে কারও কোনো ব্যক্তিগত শত্রুতা বা বিরোধ ছিল কি না, তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

উচকাগাঁও থানার এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, অপরাধীকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হচ্ছে। তবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া যায়নি।

সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের ওপর ক্রমবর্ধমান হামলা ও ধর্মীয় উপাসনালয়ের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার এ ধরনের ঘটনায় স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের মধ্যে গভীর ক্ষোভ ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।

বিষয় : ভারত সংখ্যালঘু

আপনার মতামত লিখুন

কওমী টাইমস

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬


বিহারের গোপালগঞ্জে মসজিদের ভেতরে ইমামকে কুপিয়ে হত্যা, তদন্তে পুলিশ

প্রকাশের তারিখ : ২০ আগস্ট ২০২৬

featured Image

ভারতের বিহার রাজ্যের গোপালগঞ্জ জেলায় রাতের আঁধারে মসজিদের ভেতরেই মোহাম্মদ শফিক নামে এক ইমামকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে অজ্ঞাতপরিচয় দুর্বৃত্তরা। সোমবার গভীর রাতে উচকাগাঁও থানা এলাকার আরনা গ্রামের একটি মসজিদে এই নৃশংস ঘটনা ঘটে। দীর্ঘদিন ধরে ওই মসজিদে ইমামতি করে আসা মোহাম্মদ শফিকের এই হত্যাকাণ্ডের পর এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করলেও এখন পর্যন্ত কোনো ঘাতককে গ্রেপ্তার বা হত্যার কারণ উন্মোচন করতে পারেনি।

ভারতে মুসলিমদের ধর্মীয় উপাসনালয়ে নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ার মধ্যেই এবার বিহারের গোপালগঞ্জে মসজিদের ভেতর এক ইমামকে কুপিয়ে হত্যা করার খবর পাওয়া গেছে।

নিহত ইমামের নাম মোহাম্মদ শফিক। তিনি ভোরের থানা এলাকার সিসাই গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন এবং দীর্ঘদিন ধরে আরনা গ্রামের স্থানীয় মসজিদে ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী, সোমবার গভীর রাতে মসজিদের ভেতরে অবস্থানকালে দুর্বৃত্তরা তার ওপর হামলা চালায়। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর জখম হয়ে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। ঠিক কী উদ্দেশ্যে এবং কারা এই হামলা চালিয়েছে, তা এখনো পরিষ্কার নয়।

ঘটনার খবর পেয়ে হাথুয়া সাব-ডিভিশনাল পুলিশ অফিসার (এসডিপিও) আনন্দ মোহন গুপ্তের নেতৃত্বে একটি বিশাল পুলিশ দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং আলামত সংগ্রহ শুরু করে। পরবর্তীতে ঘটনার নিখুঁত তদন্ত ও সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহের জন্য ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ দল (FSL)-কে ঘটনাস্থলে ডাকা হয়।

পুলিশ স্থানীয় বাসিন্দা এবং নিহতের পরিচিতদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে। ঘটনার রাতে মসজিদের আশেপাশে কোনো সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে দেখা গিয়েছিল কি না, তা জানার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি, নিহত ইমামের সঙ্গে পূর্বে কারও কোনো ব্যক্তিগত শত্রুতা বা বিরোধ ছিল কি না, তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

উচকাগাঁও থানার এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, অপরাধীকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হচ্ছে। তবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া যায়নি।

সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের ওপর ক্রমবর্ধমান হামলা ও ধর্মীয় উপাসনালয়ের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার এ ধরনের ঘটনায় স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের মধ্যে গভীর ক্ষোভ ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।


কওমী টাইমস

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ
সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ