তুরস্ককে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বিশ্বমঞ্চে স্বাবলম্বী ও শীর্ষস্থানে পৌঁছে দিতে এক উচ্চাভিলাষী উদ্যোগের কথা নিশ্চিত করেছেন প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোয়ান। ২০ আগস্ট ২০২৬ তারিখে সামাজিক মাধ্যমে এক বার্তার মাধ্যমে তিনি 'তুর্কি স্ট্র্যাটেজিক টেকনোলজি হিউম্যান রিসোর্স প্রোগ্রাম' আনুষ্ঠানিকভাবে শুরুর ঘোষণা দেন।
প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান জানান, দেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিযাত্রায় এটি হবে এক শক্তিশালী ও নতুন মানবসম্পদ বিপ্লব। এই কর্মসূচির প্রথম ধাপে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), সাইবার নিরাপত্তা, চিপ প্রযুক্তি এবং উন্নত কম্পিউটার সিস্টেমের মতো অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট ও কৌশলগত ক্ষেত্রগুলোতে অর্জিত দক্ষতার ভিত্তিতে ৫৫০ জন পিএইচডি (PhD) গবেষক নির্বাচন করা হবে। একটি কেন্দ্রীয় পরীক্ষার মাধ্যমে এই তরুণদের বাছাই করে তুরস্কের শীর্ষ ২০টি গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চতর প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।
কর্মসূচির দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্যের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ৫ বছর শেষে প্রায় ৩ হাজার নতুন ও তরুণ গবেষককে দেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ইকোসিস্টেমে যুক্ত করা হবে। "প্রযুক্তিগতভাবে স্বাধীন ও শক্তিশালী তুরস্ক গড়ার লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। 'তুর্কি শতাব্দী' হবে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং আমাদের তরুণ প্রজন্মের শক্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত," বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বার্তার সাথে প্রকাশিত একটি তথ্যচিত্রের মাধ্যমে আরও তুলে ধরা হয় যে, এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য হলো সংকটপূর্ণ প্রযুক্তিতে দক্ষ মানবসম্পদ বৃদ্ধি করা, সরকারি ও বেসরকারি খাতের উচ্চতর বিশেষজ্ঞ চাহিদা পূরণ করা এবং মেধাবী তরুণদের দ্রুত বৈজ্ঞানিক গবেষণায় যুক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি করা। বিশ্বজুড়ে মুসলিম দেশগুলোর প্রযুক্তিগত নির্ভরতা কাটানোর ক্ষেত্রে তুরস্কের এই দূরদর্শী উদ্যোগ এক নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে।
বিষয় : তুরস্ক

শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ আগস্ট ২০২৬
তুরস্ককে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বিশ্বমঞ্চে স্বাবলম্বী ও শীর্ষস্থানে পৌঁছে দিতে এক উচ্চাভিলাষী উদ্যোগের কথা নিশ্চিত করেছেন প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোয়ান। ২০ আগস্ট ২০২৬ তারিখে সামাজিক মাধ্যমে এক বার্তার মাধ্যমে তিনি 'তুর্কি স্ট্র্যাটেজিক টেকনোলজি হিউম্যান রিসোর্স প্রোগ্রাম' আনুষ্ঠানিকভাবে শুরুর ঘোষণা দেন।
প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান জানান, দেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিযাত্রায় এটি হবে এক শক্তিশালী ও নতুন মানবসম্পদ বিপ্লব। এই কর্মসূচির প্রথম ধাপে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), সাইবার নিরাপত্তা, চিপ প্রযুক্তি এবং উন্নত কম্পিউটার সিস্টেমের মতো অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট ও কৌশলগত ক্ষেত্রগুলোতে অর্জিত দক্ষতার ভিত্তিতে ৫৫০ জন পিএইচডি (PhD) গবেষক নির্বাচন করা হবে। একটি কেন্দ্রীয় পরীক্ষার মাধ্যমে এই তরুণদের বাছাই করে তুরস্কের শীর্ষ ২০টি গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চতর প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।
কর্মসূচির দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্যের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ৫ বছর শেষে প্রায় ৩ হাজার নতুন ও তরুণ গবেষককে দেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ইকোসিস্টেমে যুক্ত করা হবে। "প্রযুক্তিগতভাবে স্বাধীন ও শক্তিশালী তুরস্ক গড়ার লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। 'তুর্কি শতাব্দী' হবে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং আমাদের তরুণ প্রজন্মের শক্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত," বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বার্তার সাথে প্রকাশিত একটি তথ্যচিত্রের মাধ্যমে আরও তুলে ধরা হয় যে, এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য হলো সংকটপূর্ণ প্রযুক্তিতে দক্ষ মানবসম্পদ বৃদ্ধি করা, সরকারি ও বেসরকারি খাতের উচ্চতর বিশেষজ্ঞ চাহিদা পূরণ করা এবং মেধাবী তরুণদের দ্রুত বৈজ্ঞানিক গবেষণায় যুক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি করা। বিশ্বজুড়ে মুসলিম দেশগুলোর প্রযুক্তিগত নির্ভরতা কাটানোর ক্ষেত্রে তুরস্কের এই দূরদর্শী উদ্যোগ এক নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে।

আপনার মতামত লিখুন