সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক ঐতিহাসিক 'মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি'কে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখছে বাংলাদেশ।
মুসলিম বিশ্বের প্রতিরক্ষা ও সামরিক আত্মনির্ভরশীলতার ক্ষেত্রে এক নতুন যুগসন্ধিক্ষণে বাংলাদেশ তার আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে কৌশলগত অবস্থানের বার্তা দিয়েছে।
মন্ত্রণালয়ে প্রথম দিনে সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, "আমরা মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির বিষয়ে আমাদের আগ্রহের কথা ব্যক্ত করেছি। সুতরাং, মধ্যপ্রাচ্যে যদি কোনো বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়—বিশেষ করে মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে নিরাপত্তা জোট গঠিত হয়—তাহলে সেখানে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ কোনো অস্বাভাবিক বিষয় হতে পারে না। দেখা যাক সামনে কী ঘটে, আমরা এটিকে অত্যন্ত ইতিবাচকভাবে পর্যবেক্ষণ করছি।"
তিনি আরও বলেন, বিশ্বমঞ্চে ও মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশ এখন এক সম্মানিত ও গুরুত্ববহ রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।
ঐতিহাসিক ‘মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি’
চলতি মাসের শুরুর দিকে পবিত্র নগরী মক্কায় সৌদি আরবের যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান, তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ একটি ঐতিহাসিক প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
চুক্তির ধারা অনুযায়ী, এই তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র আক্রমণ করা হলে তা তিনটি রাষ্ট্রের ওপরই যৌথ আক্রমণ হিসেবে গণ্য হবে—যা অনেকটা ন্যাটোর (NATO) ৫ম ধারার মতো কার্যকর সম্মিলিত নিরাপত্তা বলয় তৈরি করেছে।
সৌদি যুবরাজের আহ্বানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রিয়াদ সফরের প্রস্তুতি
এদিকে আন্তর্জাতিক কূটনীতির এই নতুন অধ্যায়ে দ্রুতই সৌদি আরব সফরে যাচ্ছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সৌদি যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে এক সরকারি পত্রে সৌদি সফরের উষ্ণ নিমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
সম্প্রতি সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করে বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ জাফর এইচ বিন আবিয়াহ এই আমন্ত্রণপত্রটি তারেক রহমানের হাতে তুলে দেন। পত্রে দুই দেশের ভাতৃপ্রতিম জনগণের সার্বিক স্বার্থ ও সম্পর্ককে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন সৌদি যুবরাজ। গ্রীষ্ম মৌসুম শেষেই রিয়াদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই উচ্চপর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক সফরটি চূড়ান্ত ও বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে।
বিষয় : বাংলাদেশ

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬
সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক ঐতিহাসিক 'মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি'কে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখছে বাংলাদেশ।
মুসলিম বিশ্বের প্রতিরক্ষা ও সামরিক আত্মনির্ভরশীলতার ক্ষেত্রে এক নতুন যুগসন্ধিক্ষণে বাংলাদেশ তার আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে কৌশলগত অবস্থানের বার্তা দিয়েছে।
মন্ত্রণালয়ে প্রথম দিনে সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, "আমরা মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির বিষয়ে আমাদের আগ্রহের কথা ব্যক্ত করেছি। সুতরাং, মধ্যপ্রাচ্যে যদি কোনো বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়—বিশেষ করে মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে নিরাপত্তা জোট গঠিত হয়—তাহলে সেখানে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ কোনো অস্বাভাবিক বিষয় হতে পারে না। দেখা যাক সামনে কী ঘটে, আমরা এটিকে অত্যন্ত ইতিবাচকভাবে পর্যবেক্ষণ করছি।"
তিনি আরও বলেন, বিশ্বমঞ্চে ও মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশ এখন এক সম্মানিত ও গুরুত্ববহ রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।
ঐতিহাসিক ‘মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি’
চলতি মাসের শুরুর দিকে পবিত্র নগরী মক্কায় সৌদি আরবের যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান, তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ একটি ঐতিহাসিক প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
চুক্তির ধারা অনুযায়ী, এই তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র আক্রমণ করা হলে তা তিনটি রাষ্ট্রের ওপরই যৌথ আক্রমণ হিসেবে গণ্য হবে—যা অনেকটা ন্যাটোর (NATO) ৫ম ধারার মতো কার্যকর সম্মিলিত নিরাপত্তা বলয় তৈরি করেছে।
সৌদি যুবরাজের আহ্বানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রিয়াদ সফরের প্রস্তুতি
এদিকে আন্তর্জাতিক কূটনীতির এই নতুন অধ্যায়ে দ্রুতই সৌদি আরব সফরে যাচ্ছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সৌদি যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে এক সরকারি পত্রে সৌদি সফরের উষ্ণ নিমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
সম্প্রতি সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করে বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ জাফর এইচ বিন আবিয়াহ এই আমন্ত্রণপত্রটি তারেক রহমানের হাতে তুলে দেন। পত্রে দুই দেশের ভাতৃপ্রতিম জনগণের সার্বিক স্বার্থ ও সম্পর্ককে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন সৌদি যুবরাজ। গ্রীষ্ম মৌসুম শেষেই রিয়াদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই উচ্চপর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক সফরটি চূড়ান্ত ও বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন