সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
কওমী টাইমস

মার্বেল প্রাসাদে ক্রয় কমিশনের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক; নিজস্ব অর্থায়নে হাসপাতাল, বিমানবন্দর স্ক্যানার ও বিদ্যুৎ বাঁধ পুনর্নির্মাণের বড় পদক্ষেপ।

স্বাবলম্বিতার পথে ইসলামি আমিরাত: এক বৈঠকেই অনুমোদন ৬.৫ বিলিয়ন আফগানির ২১ প্রকল্প



স্বাবলম্বিতার পথে ইসলামি আমিরাত: এক বৈঠকেই অনুমোদন ৬.৫ বিলিয়ন আফগানির ২১ প্রকল্প

আফগানিস্তানের অর্থনৈতিক বিষয়ক উপপ্রধানমন্ত্রী মোল্লা আবদুল গনি বারাদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে প্রায় ৬.৫ বিলিয়ন আফগানি মূল্যের ২১টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে। রোববার (২৩ আগস্ট) কাবুলের মার্বেল প্রাসাদে জাতীয় ক্রয় কমিশনের এই নিয়মিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। নিজস্ব অর্থায়নে গৃহীত এসব অবকাঠামোগত ও সেবা খাতের উদ্যোগগুলো আফগান জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণ এবং দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তি জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আফগানিস্তানের অর্থনৈতিক বিষয়ক উপপ্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জারি করা এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, জাতীয় ক্রয় কমিশনের ওই সভায় পর্যালোচনার জন্য মোট ৩৪টি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়। বিস্তারিত ও বস্তুনিষ্ঠ পর্যালোচনার পর ২১টি প্রকল্পকে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয় এবং অন্য ১২টি প্রকল্পে প্রয়োজনীয় সংশোধন প্রস্তাব পাস করা হয়।

এ ছাড়া একটি নির্দিষ্ট প্রকল্পের সার্বিক ব্যয় ও মূল্য পুনর্বিবেচনার জন্য নির্বাচিত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা করে কমিশনের নেতৃত্বের কাছে প্রতিবেদন জমা দিতে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

অনুমোদিত ও সংশোধিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে আফগানিস্তানের জ্বালানি, স্বাস্থ্য ও পরিবহন খাতের বেশ কিছু মেগা উদ্যোগ:

কুনার প্রদেশ: বহুপ্রতীক্ষিত মানাগি বিদ্যুৎ বাঁধ পুনর্নির্মাণ প্রকল্প।

বিমানবন্দর আধুনিকায়ন: কাবুল, হেরাত, নানগারহার, বালখ ও খোস্ত বিমানবন্দরে নিরাপত্তা ও রাজস্ব পর্যবেক্ষণ জোরদারে আধুনিক কাস্টমস স্ক্যানার স্থাপন।

স্বাস্থ্য খাত: হেলমান্দে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রশিক্ষণ হাসপাতাল নির্মাণসহ বাদাখশানের শিগনান, ওয়ারদাকের চাক এবং কুন্দুজের কালা-ই-জাল জেলায় তিনটি আধুনিক সাধারণ হাসপাতাল নির্মাণ।

ইসলামি আমিরাত সরকার স্পষ্ট করেছে যে, অনুমোদিত সবকটি প্রকল্প সম্পূর্ণভাবে আফগানিস্তানের নিজস্ব জাতীয় অর্থায়নে বাস্তবায়ন করা হবে। বৈদেশিক সাহায্য ও চাপের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে স্বাবলম্বী অর্থনীতি গড়ে তোলার যে অঙ্গীকার আফগান সরকার করেছিল, এই পদক্ষেপে তারই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। যুদ্ধবিধ্বস্ত আফগানিস্তানের প্রান্তিক ও পাহাড়ি অঞ্চলগুলোতে এসব অবকাঠামোগত ও স্বাস্থ্যসেবামুখী উন্নয়ন প্রকল্প স্থানীয় সাধারণ মানুষের সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।

বিষয় : আফগানিস্তান

আপনার মতামত লিখুন

কওমী টাইমস

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬


স্বাবলম্বিতার পথে ইসলামি আমিরাত: এক বৈঠকেই অনুমোদন ৬.৫ বিলিয়ন আফগানির ২১ প্রকল্প

প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬

featured Image

আফগানিস্তানের অর্থনৈতিক বিষয়ক উপপ্রধানমন্ত্রী মোল্লা আবদুল গনি বারাদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে প্রায় ৬.৫ বিলিয়ন আফগানি মূল্যের ২১টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে। রোববার (২৩ আগস্ট) কাবুলের মার্বেল প্রাসাদে জাতীয় ক্রয় কমিশনের এই নিয়মিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। নিজস্ব অর্থায়নে গৃহীত এসব অবকাঠামোগত ও সেবা খাতের উদ্যোগগুলো আফগান জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণ এবং দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তি জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আফগানিস্তানের অর্থনৈতিক বিষয়ক উপপ্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জারি করা এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, জাতীয় ক্রয় কমিশনের ওই সভায় পর্যালোচনার জন্য মোট ৩৪টি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়। বিস্তারিত ও বস্তুনিষ্ঠ পর্যালোচনার পর ২১টি প্রকল্পকে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয় এবং অন্য ১২টি প্রকল্পে প্রয়োজনীয় সংশোধন প্রস্তাব পাস করা হয়।

এ ছাড়া একটি নির্দিষ্ট প্রকল্পের সার্বিক ব্যয় ও মূল্য পুনর্বিবেচনার জন্য নির্বাচিত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা করে কমিশনের নেতৃত্বের কাছে প্রতিবেদন জমা দিতে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

অনুমোদিত ও সংশোধিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে আফগানিস্তানের জ্বালানি, স্বাস্থ্য ও পরিবহন খাতের বেশ কিছু মেগা উদ্যোগ:

কুনার প্রদেশ: বহুপ্রতীক্ষিত মানাগি বিদ্যুৎ বাঁধ পুনর্নির্মাণ প্রকল্প।

বিমানবন্দর আধুনিকায়ন: কাবুল, হেরাত, নানগারহার, বালখ ও খোস্ত বিমানবন্দরে নিরাপত্তা ও রাজস্ব পর্যবেক্ষণ জোরদারে আধুনিক কাস্টমস স্ক্যানার স্থাপন।

স্বাস্থ্য খাত: হেলমান্দে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রশিক্ষণ হাসপাতাল নির্মাণসহ বাদাখশানের শিগনান, ওয়ারদাকের চাক এবং কুন্দুজের কালা-ই-জাল জেলায় তিনটি আধুনিক সাধারণ হাসপাতাল নির্মাণ।

ইসলামি আমিরাত সরকার স্পষ্ট করেছে যে, অনুমোদিত সবকটি প্রকল্প সম্পূর্ণভাবে আফগানিস্তানের নিজস্ব জাতীয় অর্থায়নে বাস্তবায়ন করা হবে। বৈদেশিক সাহায্য ও চাপের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে স্বাবলম্বী অর্থনীতি গড়ে তোলার যে অঙ্গীকার আফগান সরকার করেছিল, এই পদক্ষেপে তারই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। যুদ্ধবিধ্বস্ত আফগানিস্তানের প্রান্তিক ও পাহাড়ি অঞ্চলগুলোতে এসব অবকাঠামোগত ও স্বাস্থ্যসেবামুখী উন্নয়ন প্রকল্প স্থানীয় সাধারণ মানুষের সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।


কওমী টাইমস

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ
সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ