আগামী নতুন শিক্ষাবর্ষ থেকেই ফ্রান্সের উচ্চবিদ্যালয়গুলোতে (হাইস্কুল) শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন ব্যবহার পুরোপুরি নিষিদ্ধ হতে যাচ্ছে। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) এই সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেন। অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহারের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে অপ্রাপ্তবয়স্কদের সুরক্ষা দেওয়া এবং পড়াশোনার উপযুক্ত পরিবেশ ফিরিয়ে আনাই এই পদক্ষেপের প্রধান উদ্দেশ্য বলে জানিয়েছেন তিনি।
শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য ও বিকাশ সুরক্ষিত রাখতে কঠোর পদক্ষেপের অংশ হিসেবে ফরাসি সরকার স্কুলে ফোন ব্যবহারের ওপর এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে যাচ্ছে। সোমবার প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ স্পষ্ট করে বলেন যে, অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহারের ঝুঁকি থেকে শিশুদের রক্ষায় আর বিলম্ব করার সুযোগ নেই। "ফোনমুক্ত স্কুল মানেই ক্লাসরুমে পড়াশোনার প্রশান্তি ও মনোযোগ পুনরুদ্ধার করা," বলে মন্তব্য করেন তিনি।
ফরাসি সরকারের মুখপাত্র মদ ব্রেজোঁ জানান, প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁর এই ঘোষণার পর সিদ্ধান্তটি সুসংহত ও আইনগত কাঠামোর আওতায় নতুন শিক্ষাবর্ষ থেকেই কার্যকর হবে।
এর আগে গত ২১ জুলাই অপ্রাপ্তবয়স্কদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ঝুঁকি থেকে মুক্ত রাখতে একটি বিশেষ আইন পাস করা হয়েছিল। তবে উক্ত আইনের ১৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য সোশাল মিডিয়া ব্যবহারে পূর্ণ নিষেধাজ্ঞার বিধানটি ফ্রান্সের সাংবিধানিক কাউন্সিল সাময়িকভাবে আটকে দেয়।
সাংবিধানিক কাউন্সিলের সেই উদ্বেগকে বিবেচনায় নিয়ে ফরাসি প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকর্নু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সংক্রান্ত নীতিমালার একটি সংশোধিত সংস্করণ নিয়ে কাজ করছেন। সরকার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে যে আগামী বসন্তের মধ্যেই শিশু ও কিশোরদের সুরক্ষায় একটি পূর্ণাঙ্গ ও শক্তিশালী আইনি কাঠামো প্রতিষ্ঠা করা হবে। শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মানবাধিকার গবেষকরা শিশুদের প্রযুক্তিগত আসক্তি থেকে মুক্ত রাখার এই উদ্যোগকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬
আগামী নতুন শিক্ষাবর্ষ থেকেই ফ্রান্সের উচ্চবিদ্যালয়গুলোতে (হাইস্কুল) শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন ব্যবহার পুরোপুরি নিষিদ্ধ হতে যাচ্ছে। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) এই সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেন। অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহারের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে অপ্রাপ্তবয়স্কদের সুরক্ষা দেওয়া এবং পড়াশোনার উপযুক্ত পরিবেশ ফিরিয়ে আনাই এই পদক্ষেপের প্রধান উদ্দেশ্য বলে জানিয়েছেন তিনি।
শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য ও বিকাশ সুরক্ষিত রাখতে কঠোর পদক্ষেপের অংশ হিসেবে ফরাসি সরকার স্কুলে ফোন ব্যবহারের ওপর এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে যাচ্ছে। সোমবার প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ স্পষ্ট করে বলেন যে, অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহারের ঝুঁকি থেকে শিশুদের রক্ষায় আর বিলম্ব করার সুযোগ নেই। "ফোনমুক্ত স্কুল মানেই ক্লাসরুমে পড়াশোনার প্রশান্তি ও মনোযোগ পুনরুদ্ধার করা," বলে মন্তব্য করেন তিনি।
ফরাসি সরকারের মুখপাত্র মদ ব্রেজোঁ জানান, প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁর এই ঘোষণার পর সিদ্ধান্তটি সুসংহত ও আইনগত কাঠামোর আওতায় নতুন শিক্ষাবর্ষ থেকেই কার্যকর হবে।
এর আগে গত ২১ জুলাই অপ্রাপ্তবয়স্কদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ঝুঁকি থেকে মুক্ত রাখতে একটি বিশেষ আইন পাস করা হয়েছিল। তবে উক্ত আইনের ১৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য সোশাল মিডিয়া ব্যবহারে পূর্ণ নিষেধাজ্ঞার বিধানটি ফ্রান্সের সাংবিধানিক কাউন্সিল সাময়িকভাবে আটকে দেয়।
সাংবিধানিক কাউন্সিলের সেই উদ্বেগকে বিবেচনায় নিয়ে ফরাসি প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকর্নু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সংক্রান্ত নীতিমালার একটি সংশোধিত সংস্করণ নিয়ে কাজ করছেন। সরকার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে যে আগামী বসন্তের মধ্যেই শিশু ও কিশোরদের সুরক্ষায় একটি পূর্ণাঙ্গ ও শক্তিশালী আইনি কাঠামো প্রতিষ্ঠা করা হবে। শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মানবাধিকার গবেষকরা শিশুদের প্রযুক্তিগত আসক্তি থেকে মুক্ত রাখার এই উদ্যোগকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।

আপনার মতামত লিখুন