শরীফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামিদের সীমান্ত পার করে ভারতে পালিয়ে যেতে সাহায্য করার অভিযোগে ফিলিপ সাংমা নামক এক বাংলাদেশিকে গ্রেফতার করেছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (STF)। শনিবার পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার শান্তিপুর বাইপাস এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, এই গ্রেফতারির ফলে হাদি হত্যাকাণ্ডের আন্তর্জাতিক যোগসূত্র আরও স্পষ্ট হলো।
বাংলাদেশের ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র এবং উদীয়মান যুবনেতা শরীফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের তদন্তে বড় ধরনের সাফল্য পেয়েছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ। গত সপ্তাহে উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ থেকে এই হত্যাকাণ্ডের প্রধান দুই সন্দেহভাজন ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল (৩৭) এবং আলমগীর হোসেনকে (৩৪) গ্রেফতার করার পর, তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই ধরা পড়ল সীমান্ত পাচারের মূল হোতা ফিলিপ সাংমা।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, ফিলিপ সাংমা মূলত বাংলাদেশের হালুয়াঘাট এবং ভারতের মেঘালয় রাজ্যের ডালুপাড়া সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে মানুষ পারাপার করার একটি চক্র পরিচালনা করত। টাকার বিনিময়ে সে অপরাধীদের সীমান্ত পার করে নিরাপদ আশ্রয়ে পৌঁছে দিত। শরীফ ওসমান হাদিকে হত্যার পর প্রধান দুই আসামি এই রুট ব্যবহার করেই ভারতে প্রবেশ করেছিল।
তদন্তকারী সংস্থা এসটিএফ জানায়, হাদি হত্যাকাণ্ডের আসামিরা পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে যে ফিলিপ তাদের মেঘালয় সীমান্ত পার হতে সরাসরি সাহায্য করেছিল। গ্রেফতার এড়াতে ফিলিপ নিজেও পরবর্তীতে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপন করে থাকে। শনিবার সে পুনরায় বাংলাদেশে ফেরার চেষ্টা করার সময় নদীয়া জেলার শান্তিপুর থেকে পুলিশের জালে ধরা পড়ে। রবিবার তাকে আদালতে তোলা হলে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশি রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত বছরের ১২ ডিসেম্বর রাজধানী ঢাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে মাথায় গুরুতর আঘাত পান ৩২ বছর বয়সী শরীফ ওসমান হাদি। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলেও ১৮ ডিসেম্বর তিনি মারা যান।
বিষয় : ভারত

শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মার্চ ২০২৬
শরীফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামিদের সীমান্ত পার করে ভারতে পালিয়ে যেতে সাহায্য করার অভিযোগে ফিলিপ সাংমা নামক এক বাংলাদেশিকে গ্রেফতার করেছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (STF)। শনিবার পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার শান্তিপুর বাইপাস এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, এই গ্রেফতারির ফলে হাদি হত্যাকাণ্ডের আন্তর্জাতিক যোগসূত্র আরও স্পষ্ট হলো।
বাংলাদেশের ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র এবং উদীয়মান যুবনেতা শরীফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের তদন্তে বড় ধরনের সাফল্য পেয়েছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ। গত সপ্তাহে উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ থেকে এই হত্যাকাণ্ডের প্রধান দুই সন্দেহভাজন ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল (৩৭) এবং আলমগীর হোসেনকে (৩৪) গ্রেফতার করার পর, তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই ধরা পড়ল সীমান্ত পাচারের মূল হোতা ফিলিপ সাংমা।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, ফিলিপ সাংমা মূলত বাংলাদেশের হালুয়াঘাট এবং ভারতের মেঘালয় রাজ্যের ডালুপাড়া সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে মানুষ পারাপার করার একটি চক্র পরিচালনা করত। টাকার বিনিময়ে সে অপরাধীদের সীমান্ত পার করে নিরাপদ আশ্রয়ে পৌঁছে দিত। শরীফ ওসমান হাদিকে হত্যার পর প্রধান দুই আসামি এই রুট ব্যবহার করেই ভারতে প্রবেশ করেছিল।
তদন্তকারী সংস্থা এসটিএফ জানায়, হাদি হত্যাকাণ্ডের আসামিরা পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে যে ফিলিপ তাদের মেঘালয় সীমান্ত পার হতে সরাসরি সাহায্য করেছিল। গ্রেফতার এড়াতে ফিলিপ নিজেও পরবর্তীতে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপন করে থাকে। শনিবার সে পুনরায় বাংলাদেশে ফেরার চেষ্টা করার সময় নদীয়া জেলার শান্তিপুর থেকে পুলিশের জালে ধরা পড়ে। রবিবার তাকে আদালতে তোলা হলে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশি রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত বছরের ১২ ডিসেম্বর রাজধানী ঢাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে মাথায় গুরুতর আঘাত পান ৩২ বছর বয়সী শরীফ ওসমান হাদি। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলেও ১৮ ডিসেম্বর তিনি মারা যান।

আপনার মতামত লিখুন