শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬
কওমি টাইমস একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান, স্বাধীন সাংবাদিকতা অব্যাহত রাখতে আপনার সহযোগিতা প্রয়োজন। সহযোগিতা করুন
শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬
কওমী টাইমস

ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্য ও ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে জাতীয় সাফল্য অর্জনে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

জাতীয় ঐক্য ও বাংলাদেশি পরিচয়ে সবাইকে সংহত করেছিলেন জিয়াউর রহমান: রাষ্ট্রপতি



জাতীয় ঐক্য ও বাংলাদেশি পরিচয়ে সবাইকে সংহত করেছিলেন জিয়াউর রহমান: রাষ্ট্রপতি

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশের সকল নাগরিকের সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্য বজায় রেখে সবাইকে 'বাংলাদেশি' পরিচয়ে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। শুক্রবার (১ মে) বিকেলে বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে বঙ্গভবনে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন।

রাষ্ট্রপতি তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান এবং পাহাড়-সমতলের প্রতিটি মানুষের নিজস্ব পরিচয় অক্ষুণ্ণ রেখে একটি বৃহত্তর জাতীয় পরিচয় তৈরিতে জিয়াউর রহমান অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। তিনি আরও জানান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া সেই ঐক্য ও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের চেতনাকে সমুন্নত রেখেছেন। রাষ্ট্রপতির মতে, জাতির যা কিছু অর্জন, তা কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর নয় বরং সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফসল।

বুদ্ধ পূর্ণিমা উদযাপন উপলক্ষে বঙ্গভবনের এই অনুষ্ঠানে দেশের বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী বিশিষ্ট নাগরিক, রাষ্ট্রদূত এবং ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ অংশ নেন। রাষ্ট্রপতি বর্তমান বৈশ্বিক অস্থিতিশীলতা ও যুদ্ধ-সংঘাতের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন:

গৌতম বুদ্ধের অহিংসা ও সাম্যের বাণী বিশ্বশান্তির জন্য আজও অপরিহার্য।

বর্তমান সরকার "ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার" নীতিতে বিশ্বাসী।

একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানবিক রাষ্ট্র গঠনে পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রাখা জরুরি।

অনুষ্ঠানে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার এবং আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারের প্রধান পুরোহিত ধর্মপ্রিয় মহাথেরসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রপতির এই বক্তব্যটি এমন এক সময়ে এলো যখন জাতীয় ঐক্য ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, 'বাংলাদেশি' পরিচয়ের ওপর রাষ্ট্রপতির এই গুরুত্বারোপ দেশের বৈচিত্র্যময় জনতাত্ত্বিক কাঠামোকে একটি সাধারণ সুতায় বাঁধার প্রচেষ্টাকে পুনরায় স্মরণ করিয়ে দেয়। এটি নাগরিক অধিকার ও সাম্য প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে একটি শক্তিশালী বার্তা।

একটি আধুনিক ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গঠনে বিভাজন নয়, বরং ঐক্যের প্রয়োজন। রাষ্ট্রপতির আহ্বান অনুযায়ী, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ধৈর্য ও সংযম প্রদর্শনের মাধ্যমেই বর্তমান বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলা এবং একটি সমতাভিত্তিক সমাজ গঠন সম্ভব।

বিষয় : রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন

আপনার মতামত লিখুন

কওমী টাইমস

শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬


জাতীয় ঐক্য ও বাংলাদেশি পরিচয়ে সবাইকে সংহত করেছিলেন জিয়াউর রহমান: রাষ্ট্রপতি

প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬

featured Image

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশের সকল নাগরিকের সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্য বজায় রেখে সবাইকে 'বাংলাদেশি' পরিচয়ে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। শুক্রবার (১ মে) বিকেলে বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে বঙ্গভবনে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন।

রাষ্ট্রপতি তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান এবং পাহাড়-সমতলের প্রতিটি মানুষের নিজস্ব পরিচয় অক্ষুণ্ণ রেখে একটি বৃহত্তর জাতীয় পরিচয় তৈরিতে জিয়াউর রহমান অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। তিনি আরও জানান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া সেই ঐক্য ও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের চেতনাকে সমুন্নত রেখেছেন। রাষ্ট্রপতির মতে, জাতির যা কিছু অর্জন, তা কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর নয় বরং সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফসল।

বুদ্ধ পূর্ণিমা উদযাপন উপলক্ষে বঙ্গভবনের এই অনুষ্ঠানে দেশের বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী বিশিষ্ট নাগরিক, রাষ্ট্রদূত এবং ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ অংশ নেন। রাষ্ট্রপতি বর্তমান বৈশ্বিক অস্থিতিশীলতা ও যুদ্ধ-সংঘাতের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন:

গৌতম বুদ্ধের অহিংসা ও সাম্যের বাণী বিশ্বশান্তির জন্য আজও অপরিহার্য।

বর্তমান সরকার "ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার" নীতিতে বিশ্বাসী।

একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানবিক রাষ্ট্র গঠনে পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রাখা জরুরি।

অনুষ্ঠানে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার এবং আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারের প্রধান পুরোহিত ধর্মপ্রিয় মহাথেরসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রপতির এই বক্তব্যটি এমন এক সময়ে এলো যখন জাতীয় ঐক্য ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, 'বাংলাদেশি' পরিচয়ের ওপর রাষ্ট্রপতির এই গুরুত্বারোপ দেশের বৈচিত্র্যময় জনতাত্ত্বিক কাঠামোকে একটি সাধারণ সুতায় বাঁধার প্রচেষ্টাকে পুনরায় স্মরণ করিয়ে দেয়। এটি নাগরিক অধিকার ও সাম্য প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে একটি শক্তিশালী বার্তা।

একটি আধুনিক ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গঠনে বিভাজন নয়, বরং ঐক্যের প্রয়োজন। রাষ্ট্রপতির আহ্বান অনুযায়ী, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ধৈর্য ও সংযম প্রদর্শনের মাধ্যমেই বর্তমান বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলা এবং একটি সমতাভিত্তিক সমাজ গঠন সম্ভব।


কওমী টাইমস

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ
কপিরাইট © ২০২৬ কওমী টাইমস । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত