ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ পশ্চিমবঙ্গ সফরের সময় ঘোষণা করেছেন যে, বাংলাদেশ থেকে আসা হিন্দু, শিখ ও জৈন শরণার্থীদের বিতর্কিত নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের (সিএএ) আওতায় আগামী ছয় মাসের মধ্যে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।
বাংলাদেশসহ পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে ভারতে যাওয়া অমুসলিম শরণার্থীদের জন্য নাগরিকত্ব পাওয়ার প্রক্রিয়া আরও দ্রুত করার ঘোষণা দিয়েছে ভারত সরকার। ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানিয়েছেন, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের (সিএএ) অধীনে বাংলাদেশ থেকে আসা হিন্দু, শিখ ও জৈন শরণার্থীদের আগামী ছয় মাসের মধ্যে সম্মানের সঙ্গে ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া সম্পন্ন করা হবে।
শুক্রবার পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ির কাওয়াখালিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ভারতের এই বিতর্কিত অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন। তবে নাগরিকত্বের এই প্রক্রিয়ায় মুসলিমদের সরাসরি বাদ দেওয়ায় আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ও মুসলিম বিশ্বের মানবাধিকার বিশ্লেষকদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। ২০১৯ সালে পাস হওয়া এবং ২০২৪ সালে কার্যকর হওয়া সিএএ আইনটির মূল উদ্দেশ্যই নির্দিষ্ট কিছু ধর্মীয় গোষ্ঠীকে প্রাধান্য দিয়ে মুসলমানদের কাঠামোগতভাবে অধিকারবঞ্চিত করা বলে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ উঠে আসছে। শিলিগুড়ির অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় অমিত শাহ অমুসলিমদের নাগরিকত্ব দেওয়ার পাশাপাশি বাংলা ভাষায় কথা বলা বা বাংলাদেশ থেকে আসা মুসলিম অভিবাসীদের লক্ষ্য করে 'অনুপ্রবেশকারী' হিসেবে চিহ্নিত করার নীতি আবারও ব্যক্ত করেন।
বিষয় : বাংলাদেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মুসলিম

শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ আগস্ট ২০২৬
ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ পশ্চিমবঙ্গ সফরের সময় ঘোষণা করেছেন যে, বাংলাদেশ থেকে আসা হিন্দু, শিখ ও জৈন শরণার্থীদের বিতর্কিত নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের (সিএএ) আওতায় আগামী ছয় মাসের মধ্যে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।
বাংলাদেশসহ পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে ভারতে যাওয়া অমুসলিম শরণার্থীদের জন্য নাগরিকত্ব পাওয়ার প্রক্রিয়া আরও দ্রুত করার ঘোষণা দিয়েছে ভারত সরকার। ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানিয়েছেন, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের (সিএএ) অধীনে বাংলাদেশ থেকে আসা হিন্দু, শিখ ও জৈন শরণার্থীদের আগামী ছয় মাসের মধ্যে সম্মানের সঙ্গে ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া সম্পন্ন করা হবে।
শুক্রবার পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ির কাওয়াখালিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ভারতের এই বিতর্কিত অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন। তবে নাগরিকত্বের এই প্রক্রিয়ায় মুসলিমদের সরাসরি বাদ দেওয়ায় আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ও মুসলিম বিশ্বের মানবাধিকার বিশ্লেষকদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। ২০১৯ সালে পাস হওয়া এবং ২০২৪ সালে কার্যকর হওয়া সিএএ আইনটির মূল উদ্দেশ্যই নির্দিষ্ট কিছু ধর্মীয় গোষ্ঠীকে প্রাধান্য দিয়ে মুসলমানদের কাঠামোগতভাবে অধিকারবঞ্চিত করা বলে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ উঠে আসছে। শিলিগুড়ির অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় অমিত শাহ অমুসলিমদের নাগরিকত্ব দেওয়ার পাশাপাশি বাংলা ভাষায় কথা বলা বা বাংলাদেশ থেকে আসা মুসলিম অভিবাসীদের লক্ষ্য করে 'অনুপ্রবেশকারী' হিসেবে চিহ্নিত করার নীতি আবারও ব্যক্ত করেন।

আপনার মতামত লিখুন