মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কওমী টাইমস

২০২৪ সালের ১ এপ্রিল দেইর আল-বালাহতে ওয়ার্ল্ড সেন্ট্রাল কিচেনের সাত মানবিক কর্মী নিহতের ঘটনায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর তদন্ত না চালানোর সিদ্ধান্তে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জার্মানি।

গাজায় WCK-এর সাত মানবিক কর্মী হত্যার তদন্ত বন্ধে দুঃখ প্রকাশ করেছে জার্মানি


আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ

গাজায় WCK-এর সাত মানবিক কর্মী হত্যার তদন্ত বন্ধে দুঃখ প্রকাশ করেছে জার্মানি

গাজা উপত্যকায় ওয়ার্ল্ড সেন্ট্রাল কিচেনের (WCK) সাত মানবিক কর্মী নিহতের ঘটনা তদন্ত বন্ধের ইসরায়েলি সিদ্ধান্তে দুঃখ প্রকাশ করেছে জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

জার্মানি ঘটনার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ও স্বচ্ছভাবে প্রকাশ এবং সম্ভাব্য আন্তর্জাতিক মানবিক আইন লঙ্ঘনের তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে।

একই সঙ্গে দায়ীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে দেশটি।

গাজা উপত্যকায় ওয়ার্ল্ড সেন্ট্রাল কিচেন (WCK) সংস্থার যানবাহনের ওপর ২০২৪ সালের হামলার তদন্ত বন্ধ করে দেওয়ার ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর ঘোষণায় দুঃখ প্রকাশ করেছে জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

সোমবার এক বিবৃতিতে জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষকে ওই ঘটনার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ও স্বচ্ছভাবে প্রকাশ করার আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে সম্ভাব্য লঙ্ঘনের তদন্ত করে দায়ীদের বিচারের আওতায় এনে আন্তর্জাতিক মানবিক আইন মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে তারা।

২০২৪ সালের ১ এপ্রিল মধ্য গাজা উপত্যকার দেইর আল-বালাহ এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনীর চালানো হামলায় ওয়ার্ল্ড সেন্ট্রাল কিচেনের সাতজন মানবিক কর্মী নিহত হন। ওই ঘটনার পর হামলাটি নিয়ে তদন্ত ও জবাবদিহির দাবি ওঠে।

তবে ১৯ আগস্ট ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানায়, একটি পর্যালোচনা ও মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার পর তারা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে, ওই হামলার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা শুরু করার মতো যথেষ্ট ভিত্তি নেই। এই সিদ্ধান্তের পরই জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রকাশ্যে হতাশা ও দুঃখ প্রকাশ করে।

জার্মানির বক্তব্য অনুযায়ী, বেসামরিক ও মানবিক কর্মীদের সুরক্ষা আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি। ফলে এ ধরনের ঘটনার প্রকৃত পরিস্থিতি স্বচ্ছভাবে প্রকাশ এবং কোনো আইন লঙ্ঘন হয়ে থাকলে দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা জরুরি।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৮ অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলি সামরিক অভিযান ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ও মানবিক সংকট সৃষ্টি করেছে। উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, এ সময়ে ৭৩ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত এবং ১ লাখ ৭৪ হাজারেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছে। একই সঙ্গে বেসামরিক অবকাঠামো ও স্বাস্থ্যসেবার ওপর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

WCK কর্মীদের হত্যার ঘটনা গাজায় মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনাকারীদের নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের বাস্তব প্রয়োগ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

বিষয় : ইসরায়েল গাজা জার্মানি হত্যা

আপনার মতামত লিখুন

কওমী টাইমস

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


গাজায় WCK-এর সাত মানবিক কর্মী হত্যার তদন্ত বন্ধে দুঃখ প্রকাশ করেছে জার্মানি

প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

গাজা উপত্যকায় ওয়ার্ল্ড সেন্ট্রাল কিচেনের (WCK) সাত মানবিক কর্মী নিহতের ঘটনা তদন্ত বন্ধের ইসরায়েলি সিদ্ধান্তে দুঃখ প্রকাশ করেছে জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

জার্মানি ঘটনার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ও স্বচ্ছভাবে প্রকাশ এবং সম্ভাব্য আন্তর্জাতিক মানবিক আইন লঙ্ঘনের তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে।

একই সঙ্গে দায়ীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে দেশটি।

গাজা উপত্যকায় ওয়ার্ল্ড সেন্ট্রাল কিচেন (WCK) সংস্থার যানবাহনের ওপর ২০২৪ সালের হামলার তদন্ত বন্ধ করে দেওয়ার ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর ঘোষণায় দুঃখ প্রকাশ করেছে জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

সোমবার এক বিবৃতিতে জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষকে ওই ঘটনার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ও স্বচ্ছভাবে প্রকাশ করার আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে সম্ভাব্য লঙ্ঘনের তদন্ত করে দায়ীদের বিচারের আওতায় এনে আন্তর্জাতিক মানবিক আইন মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে তারা।

২০২৪ সালের ১ এপ্রিল মধ্য গাজা উপত্যকার দেইর আল-বালাহ এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনীর চালানো হামলায় ওয়ার্ল্ড সেন্ট্রাল কিচেনের সাতজন মানবিক কর্মী নিহত হন। ওই ঘটনার পর হামলাটি নিয়ে তদন্ত ও জবাবদিহির দাবি ওঠে।

তবে ১৯ আগস্ট ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানায়, একটি পর্যালোচনা ও মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার পর তারা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে, ওই হামলার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা শুরু করার মতো যথেষ্ট ভিত্তি নেই। এই সিদ্ধান্তের পরই জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রকাশ্যে হতাশা ও দুঃখ প্রকাশ করে।

জার্মানির বক্তব্য অনুযায়ী, বেসামরিক ও মানবিক কর্মীদের সুরক্ষা আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি। ফলে এ ধরনের ঘটনার প্রকৃত পরিস্থিতি স্বচ্ছভাবে প্রকাশ এবং কোনো আইন লঙ্ঘন হয়ে থাকলে দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা জরুরি।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৮ অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলি সামরিক অভিযান ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ও মানবিক সংকট সৃষ্টি করেছে। উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, এ সময়ে ৭৩ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত এবং ১ লাখ ৭৪ হাজারেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছে। একই সঙ্গে বেসামরিক অবকাঠামো ও স্বাস্থ্যসেবার ওপর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

WCK কর্মীদের হত্যার ঘটনা গাজায় মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনাকারীদের নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের বাস্তব প্রয়োগ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।


কওমী টাইমস

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ
সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ