পশ্চিমবঙ্গে ধর্মীয় রূপান্তর (ধর্মান্তর) প্রতিরোধ এবং আন্তঃধর্মীয় জমি কেনাবেচায় কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের লক্ষ্যে নতুন আইন আনার রূপরেখা প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে সংখ্যালঘুদের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও স্বাধীন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে—এমন দুটি নতুন আইন প্রণয়নের সরাসরি ইঙ্গিত দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
শুভেন্দু অধিকারী জানান, তাঁর সরকারের সামনে এখন মূল দুটি কাজ বাকি রয়েছে।
তবে জমি কেনাবেচার ক্ষেত্রে ঠিক কী ধরনের আইনি বিধিনিষেধ বা নিয়ম কার্যকর করা হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো সুস্পষ্ট তথ্য তিনি প্রকাশ করেননি।
সংবাদ সম্মেলনে শুভেন্দু অধিকারী আরও নিশ্চিত করেন যে, রাজ্যে খুব শিগগিরই ‘অভিন্ন দেওয়ানি বিধি’ বা ইউসিসি (Uniform Civil Code) চালু করা হবে।
উল্লেখ্য, ইতিপূর্বে প্রতিবেশী একাধিক বিজেপি-শাসিত রাজ্যে ধর্মান্তর বিরোধী আইন ও ইউসিসি কার্যকর করার মধ্য দিয়ে সংখ্যালঘুদের ব্যক্তিগত জীবন, বিবাহ, উত্তরাধিকার এবং ধর্মীয় স্বাধীনতার সংকুচিত হওয়ার তীব্র সমালোচনা হয়েছিল। পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে এ নিয়ে প্রবল উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। মানবাধিকার কর্মীদের মতে, বিদেশি অর্থায়ন ও ধর্মান্তরের অজুহাতে যেসব কড়াকড়ির ঘোষণা দেওয়া হচ্ছে, তা ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্টের পাশাপাশি মুসলিম ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের নাগরিক ও সামাজিক অধিকার হরণের ক্ষেত্র প্রস্তুত করছে।
বিষয় : ভারত পশ্চিমবঙ্গ সংখ্যালঘু

বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ আগস্ট ২০২৬
পশ্চিমবঙ্গে ধর্মীয় রূপান্তর (ধর্মান্তর) প্রতিরোধ এবং আন্তঃধর্মীয় জমি কেনাবেচায় কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের লক্ষ্যে নতুন আইন আনার রূপরেখা প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে সংখ্যালঘুদের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও স্বাধীন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে—এমন দুটি নতুন আইন প্রণয়নের সরাসরি ইঙ্গিত দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
শুভেন্দু অধিকারী জানান, তাঁর সরকারের সামনে এখন মূল দুটি কাজ বাকি রয়েছে।
তবে জমি কেনাবেচার ক্ষেত্রে ঠিক কী ধরনের আইনি বিধিনিষেধ বা নিয়ম কার্যকর করা হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো সুস্পষ্ট তথ্য তিনি প্রকাশ করেননি।
সংবাদ সম্মেলনে শুভেন্দু অধিকারী আরও নিশ্চিত করেন যে, রাজ্যে খুব শিগগিরই ‘অভিন্ন দেওয়ানি বিধি’ বা ইউসিসি (Uniform Civil Code) চালু করা হবে।
উল্লেখ্য, ইতিপূর্বে প্রতিবেশী একাধিক বিজেপি-শাসিত রাজ্যে ধর্মান্তর বিরোধী আইন ও ইউসিসি কার্যকর করার মধ্য দিয়ে সংখ্যালঘুদের ব্যক্তিগত জীবন, বিবাহ, উত্তরাধিকার এবং ধর্মীয় স্বাধীনতার সংকুচিত হওয়ার তীব্র সমালোচনা হয়েছিল। পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে এ নিয়ে প্রবল উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। মানবাধিকার কর্মীদের মতে, বিদেশি অর্থায়ন ও ধর্মান্তরের অজুহাতে যেসব কড়াকড়ির ঘোষণা দেওয়া হচ্ছে, তা ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্টের পাশাপাশি মুসলিম ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের নাগরিক ও সামাজিক অধিকার হরণের ক্ষেত্র প্রস্তুত করছে।

আপনার মতামত লিখুন