১০৭তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে দেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা, জাতীয় ঐক্য ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি বজায় রাখার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন আফগানিস্তানের ইসলামিক ডাইরেক্টরেট (তালেবান) সরকারের শীর্ষ নেতারা। ১৯ আগস্ট রাজধানীর কাবুলে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে তারা এ আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে অতীত ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে তরুণ প্রজন্মকে স্বাধীনতার মূল চেতনা ও মূল্যবোধ ধরে রাখার তাগিদ দেওয়া হয়।
১৯১৯ সালের ১৯ আগস্ট আমানুল্লাহ খানের নেতৃত্বে আফগানিস্তান ঔপনিবেশিক ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রণমুক্ত হয়ে পূর্ণ স্বাধীনতা লাভ করেছিল। এই ঐতিহাসিক অর্জনের ১০৭তম বার্ষিকী উপলক্ষ্যে রাজধানী কাবুলসহ দেশটির বিভিন্ন প্রদেশে নানা রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত প্রধান আয়োজনে আফগানিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী মোল্লা আবদুল গনি বারাদার ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে আফগানদের সাহসিকতার ইতিহাস স্মরণ করেন। তিনি বলেন, লড়াইয়ের সময় আফগান যোদ্ধাদের কাছে আধুনিক বা পর্যপ্ত অস্ত্র ছিল না, কিন্তু দৃঢ় ঈমান, অবিচল মনোবল এবং স্বাধীনতার অদম্য ইচ্ছার বলেই তারা বিশ্বের শক্তিশালী ঔপনিবেশিক শক্তিকে পরাস্ত করেছিলেন।
অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী খলিফা সিরাজুদ্দিন হাক্কানি বলেন, কেবল ভৌগোলিক সীমান্ত রক্ষা নয়; বরং দেশের অভ্যন্তরে পূর্ণাঙ্গ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা অর্জন এবং প্রতিটি নাগরিকের জন্য সামাজিক সুবিচার কায়েম করার মাধ্যমেই স্বাধীনতার প্রকৃত সুফল প্রতিফলিত হয়। তিনি তরুণ প্রজন্মকে অতীত ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশের মূল মূল্যবোধ রক্ষায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী মৌলভি মোহাম্মদ ইয়াকুব মুজাহিদ আফগানিস্তানের স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে স্পষ্টভাবে জানান, আফগান জাতি ইতিহাসজুড়ে কখনোই অন্য কোনো পরাশক্তির আনুগত্য বা দাসত্ব মেনে নেয়নি এবং ভবিষ্যতেও নেবে না। অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান কারি মোহাম্মদ ফসিহউদ্দিন ফিতরাত এবং প্রশাসনিক বিষয়ের উপ-প্রধানমন্ত্রী মৌলভি আবদুল সালাম হানাফিসহ সরকারের উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বিষয় : আফগানিস্তান স্বাধীনতা দিবস তালেবান

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ আগস্ট ২০২৬
১০৭তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে দেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা, জাতীয় ঐক্য ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি বজায় রাখার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন আফগানিস্তানের ইসলামিক ডাইরেক্টরেট (তালেবান) সরকারের শীর্ষ নেতারা। ১৯ আগস্ট রাজধানীর কাবুলে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে তারা এ আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে অতীত ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে তরুণ প্রজন্মকে স্বাধীনতার মূল চেতনা ও মূল্যবোধ ধরে রাখার তাগিদ দেওয়া হয়।
১৯১৯ সালের ১৯ আগস্ট আমানুল্লাহ খানের নেতৃত্বে আফগানিস্তান ঔপনিবেশিক ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রণমুক্ত হয়ে পূর্ণ স্বাধীনতা লাভ করেছিল। এই ঐতিহাসিক অর্জনের ১০৭তম বার্ষিকী উপলক্ষ্যে রাজধানী কাবুলসহ দেশটির বিভিন্ন প্রদেশে নানা রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত প্রধান আয়োজনে আফগানিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী মোল্লা আবদুল গনি বারাদার ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে আফগানদের সাহসিকতার ইতিহাস স্মরণ করেন। তিনি বলেন, লড়াইয়ের সময় আফগান যোদ্ধাদের কাছে আধুনিক বা পর্যপ্ত অস্ত্র ছিল না, কিন্তু দৃঢ় ঈমান, অবিচল মনোবল এবং স্বাধীনতার অদম্য ইচ্ছার বলেই তারা বিশ্বের শক্তিশালী ঔপনিবেশিক শক্তিকে পরাস্ত করেছিলেন।
অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী খলিফা সিরাজুদ্দিন হাক্কানি বলেন, কেবল ভৌগোলিক সীমান্ত রক্ষা নয়; বরং দেশের অভ্যন্তরে পূর্ণাঙ্গ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা অর্জন এবং প্রতিটি নাগরিকের জন্য সামাজিক সুবিচার কায়েম করার মাধ্যমেই স্বাধীনতার প্রকৃত সুফল প্রতিফলিত হয়। তিনি তরুণ প্রজন্মকে অতীত ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশের মূল মূল্যবোধ রক্ষায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী মৌলভি মোহাম্মদ ইয়াকুব মুজাহিদ আফগানিস্তানের স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে স্পষ্টভাবে জানান, আফগান জাতি ইতিহাসজুড়ে কখনোই অন্য কোনো পরাশক্তির আনুগত্য বা দাসত্ব মেনে নেয়নি এবং ভবিষ্যতেও নেবে না। অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান কারি মোহাম্মদ ফসিহউদ্দিন ফিতরাত এবং প্রশাসনিক বিষয়ের উপ-প্রধানমন্ত্রী মৌলভি আবদুল সালাম হানাফিসহ সরকারের উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন